| সন্ধ্যা ৬:১১ - বৃহস্পতিবার - ১১ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ - ২৮শে চৈত্র, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ - ১লা শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি

ময়মনিসংহে টানা বৃষ্টিপাতে ফসল পানির নিচে

লোক লোকান্তরঃ   ময়মনিসংহের গৌরীপুর উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার নিম্নাঞ্চলের বোরো ফসলের মাঠ তলিয়ে যাচ্ছে। তলিয়ে যাচ্ছে কৃষকের সেই ফসল ধানসহ অন্যন ফসলাধী।

 

শুক্রবার ( ২১ এপ্রিল ) থেকে শুরু হওয়া স্বল্প ও মাঝারি বর্ষণে প্রায় ৫০০ কৃষকের ৪৮৪ একর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

 

জানা গেছে, মাওহা ইউনিয়নের বাউশালী বিলের কৃষকরা তাদের জমির ফসল রক্ষায় স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধ নির্মাণ শুরু করেছে ইতিমধ্যেই। তাদের দাবি-সুরিয়া নদীতে খনন না করায় তলিয়ে যাচ্ছে তাদের সেই স্বপ্নের ফসল। শঙ্কিত কৃষক কোন মতে আধাপাকা ধানই কেটে নিচ্ছেন বাড়ীতে।

 

উপজেলার রামগোপালপুর ইউনিয়নের বলেশ্বর, কৈট্রাপুরি, শ্রীধরপুর, অচিন্তপুর ইউনিয়ের চাতুল আগ্রাইলবিল, সুরিয়া, গৌরীপুরের বালকি, ডৌহাখলার মরিচালি, সিধলার সিধলং, মাওহা ইউনিয়নের বাউশালী, নয়নগর, সুরিয়াসহ বিভিন্ন বিলে ভারিবর্ষণে প্রতিদিনই তলিয়ে যাচ্ছে  বোরো ফসলের জমি।

 

এদিকে রামগোপালপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জহিরুল ইসলাম মাস্টার জানান, এ ইউনিয়নে অতিবর্ষণে প্রায় ১০৫ একর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

অন্যদিকে মাওহা ইউনিয়নের আজহারুল ইসলাম জানান, এ ইউনিয়নের প্রায় ৬৫ জন কৃষকের ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

 

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম জানান, এ পর্যন্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, তলিয়ে যাওয়া বোরো ফসলের জমি ৯৬ একর। উজানের পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ২৮৩ একর বোরো ফসলের মাঠ। তবে বৃষ্টি হলে বা উঁচু জমির পানি নিচে নামলে ক্ষতির পরিমাণ আরো বাড়তে পাওে বলে জানান এই কর্মকর্তা ।

 

এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সাদিকুর রহমান বলেন, এ উপজেলায় এবার ২০ হাজার ৯০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে ব্রি-ধান ২৮ জাতের রোপণ করা হয়। যা এ সপ্তাহের মাঝেই কাটা শুরু হবে। কিছু জমির ধান কাটা ইতমধ্যেই শেষ হয়েছে। যেসব ফসলের ৮০ শতাংশ ধান পাকা সেসব জমির ধান কাটতে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ৭:৫৬ অপরাহ্ণ | এপ্রিল ২২, ২০১৭