| বিকাল ৩:৩৪ - রবিবার - ২৩শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ - ৯ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ - ১৬ই জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি

এক এগারোর কুশীলবদের সঙ্গে মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদের বিচার হওয়া উচিত-শেরপুরে এইচ.এম.এরশাদ

 

শেরপুর প্রতিনিধি: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, রবিবার,
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, ‘রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনামের বির্বদ্ধে বিভিন্নস’ানে মামলা হয়েছে। তাঁর (মাহফুজ আনাম) বিচার দাবি করা হচ্ছে। সংবাদপত্রে এক এগারোর কুশীলবদের নাম আসছে। তাঁদের বিচারও দাবি করা হচ্ছে। বিচার যদি করা হয়, তবে জাতীয় পার্টির মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদেরও বিচার হওয়া উচিত। কারন আনিসও এক এগারোর কুচক্রিদের একজন ছিলেন। ওই সময় আনিস আমার নিকট থেকে ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে দলের অস’ায়ী চেয়ারম্যান হয়েছিলেন। জাতীয় পার্টিকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করেছিলেন। কিন্তু তিনি (আনিসুল) সরকারের মন্ত্রী থাকায় তাঁর নাম সংবাদপত্রে আসে নাই।’
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ আজ ২৮ ফেব্র্বয়ারী রোববার বিকেলে জাতীয় পার্টি, শেরপুর জেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত দলের সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মো. ইলিয়াছ উদ্দিন। এতে বক্তব্য দেন দলের কো-চেয়ারম্যান জি.এম. কাদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য এম.এ. সাত্তার ও ফয়সল চিশতী, দলের মহাসচিব এ.বি.এম. র্বহুল আমিন হাওলাদার, জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
এরশাদ বলেন, তাঁর স্ত্রী এবং অন্য কয়েকজন নেতাকে দিয়ে তাঁর দল ভাঙ্গার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন’ সফল হয় নাই। তাঁর ভাই জি.এম.কাদেরকে দলের কো-চেয়ারম্যান করার পর দলে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। তাঁর নেতৃত্বে দল জেগে ওঠেছে। জাতীয় পার্টিকে এখন আর কেউ প্রায় বিলুপ্ত দল বলতে পারবে না।
এর আগে রোববার বিকেলে এরশাদ জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে দলের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। পরে তিনি শেরপুর জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে যথাক্রমে মো. ইলিয়াছ উদ্দিন ও মো. শফিকুল ইসলামের নাম ঘোষণা করেন। সম্মেলনে জেলা জাতীয় পার্টির বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী উপসি’ত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৮:০২ অপরাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০১৬