| দুপুর ২:৩২ - রবিবার - ২৩শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ - ৯ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ - ১৬ই জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি

গফরগাঁওয়ে যে পরিবারের সবাই ডাকাত!

আজহারুল হক, গফরগাঁওঃ
ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানাধীন টাঙ্গাব ইউনিয়নের পাঁচাহার গ্রামের গিয়াস উদ্দিন ছিলেন আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য। পরে তার ওরসজাত পাঁচ ছেলেও ডাকাতিতে জড়িয়ে পড়ে।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার টাঙ্গাব ইউনিয়নের পাঁচাহার গ্রামের ডাকাত গিয়াস উদ্দিনের ৫ ছেলে শামীম, নূরুল ইসলাম ইন্দু, আফাজ, জহিরুল ও মুনজুর এরা সকলেই দূধর্ষ ডাকাত। গত ৪ বছর পূর্বে ডাকাত গিয়াসের দ্বিতীয় ছেলে নূরুল ইসলাম ইন্দু গাজীপুরের কাপাসিয়ায় ডাকাতিকালে জনতার গণপিটুনীতে মারা যায়। গত ৫মাস পূর্বে বড় ছেলে শামীম ডাকাত একই উপজেলায় ডাকাতি শেষে ফেরার পথে জনতার হাতে নিহত হয়।
সর্বশেষ গত ২১ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার ছোট ছেলে ডাকাত সর্দার মুনজুরকে ভাটোয়ারা দ্বন্দে নিজ দলের সদস্যরা কুপিয়ে হত্যা করে। পরে তার মরদেহ টাঙ্গাব ইউনিয়নের বারইহাটি-গয়েশপুর এলাকার বাবু বাজার সড়কের পাশে ফেলে রাখে।
এ ছাড়াও জীবিত অপর দুই ছেলে ডাকাত আফাজ ও জহিরুলের নামে গফরগাঁও, কাপাসিয়া ও শ্রীপুর থানায় একাধিক ডাকাতির মামলা রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পাঁচাহার গ্রামের এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ অনেকেই জানান, তাদের ইউনিয়ন টাঙ্গাবে প্রায় প্রতিরাতেই কোন না কোন বাড়িতে ডাকাতি হতো। ডাকাত দলের হাতে নিহতের পাশাপাশি অসংখ্য মানুষ আহত হয়েছে। এ অবস্থায় ভয়ে ওই শিক্ষকসহ বহু পরিবার বাড়ি ভাড়া করে গফরগাঁও উপজেলা সদরে স’ায়ীভাবে বসবাস করে আসছেন।
উপজেলার পাগলা থানার ওসি চাঁন মিয়া জানান, ডাকাত সর্দার মুনজুর নিজ দলের সদস্যদের হাতে নিহত হওয়ার খবর ওই এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে জনতা মিষ্টি বিতরণ করে।
এ ব্যাপারে গফরগাঁও সার্কেলের সিনিয়র এএসপি বিল্লাল হোসেন বলেন, নিহত ডাকাত সর্দার মুনজুর ও তার দুই ভাই ডাকাত ইন্দু ও শামীমের নামে গফরগাঁও, পাগলা, কাপাসিয়া, ভালুকা, শ্রীপুরসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতির মামলা রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৮:২৫ অপরাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০১৬