| রাত ৮:০৪ - রবিবার - ৯ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ - ২৬শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ - ২রা জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি

বারহাট্টায় আনন্দ স্কুলের টিসি’র বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ

নেত্রকোনা প্রতিনিধি ঃ ১০ জানুয়ারি ২০১৬, রবিবার,

জেলার বারহাট্টা উপজেলার আনন্দ স্কুলের (রস্ক) ট্রেনিং কোর্ডিনেটরের (টিসি) আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও নারী নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।  রোববার উপজেলার মনকান্দিয়া আনন্দ স্কুলের শিক্ষিকা শিখা কাউসার জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছেন। আজহারুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করেন।
অভিযোগে শিখা কাউসার জানান, রিচিং আউট অব স্কুল চিলড্রেন (রস্ক) ফেইজ প্রকল্পের উপজেলা ট্রেনিং কোর্ডিনেটর আজহারুল ইসলাম আনন্দ স্কুলের শিক্ষকদের চাকুরী খাওয়া, বেতন ভাতা বন্ধের হুমকি দিয়ে কৌশলে ২০১৫ সালে শিক্ষকদের আর্থিক কর্মকান্ড থেকে দূরে সরিয়ে রাখেন এবং দুর্নীতির মাধ্যমে ওই প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ করেছেন। শিশুদের পোষাকের জন্য বরাদ্দকৃত টাকা শিক্ষকদের উত্তোলন করতে নিষেধ করেন। শিক্ষকদের বেতনের চেক তার কাছে জমা রাখার জন্য বলেন। গত বছর শিশুদের কোন পোষাক দেয়া হয়নি। তিনি উপজেলা সরকারী কোয়ার্টারে বাসা বরাদ্দ না নিয়েই অবৈধভাবে বসবাস করছেন। গত ৫ জানুয়ারী শিখা কাউসার অফিসিয়াল কাজে ওই কোয়ার্টারে গেলে প্রথমে তাকে গালাগাল শুরু করেন। কিছুক্ষন পর বসতে বলে তার পাশে বসেন এবং জড়িয়ে ধরার চেষ্টা চালান এবং অশালীণ আচরণ করেন। এক পর্যায়ে শিখা তাকে জুতাপেটা করে চিৎকার করে বেড়িয়ে যান। এ সময় কয়েক শিক্ষক ওই কোয়ার্টারে যান এবং ট্রেনিং কোর্ডিনেটরের কবল থেকে তাকে রক্ষা করেন। এ ব্যাপারে শাস্তির দাবী জানিয়ে শিখা কাউসার গতকাল রোববার জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন।
বারহাট্টা উপজেলা রস্ক প্রকল্পের ট্রেনিং কোর্ডিনেটর আজহারুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, রস্ক প্রকল্প পরিচালনার জন্য কমিটি রয়েছে। ওই কমিটির সভাপতি ইউএনও এবং আমি সম্পাদক। কিছু শিক্ষক কমিটিকে না জানিয়ে টাকা উঠিয়ে খরচ করে ফেলে। বিষয়টি সভাপতি মহোদয় জানতে পেরে ওই শিক্ষকদের শোকজ করেন। নিজেদের দোষ ঢাকার জন্য ওই শিক্ষকরা আমার বিরুদ্ধে অপবাদ ছড়াচ্ছে।
বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবু জাফর রিপন জানান, অভিযোগের বিষয়টি তার জানা নেই। তবে খোঁজ নিয়ে দেখবেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৯:০১ অপরাহ্ণ | জানুয়ারি ১০, ২০১৬