| সকাল ৯:০৪ - মঙ্গলবার - ৯ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ - ২৬শে চৈত্র, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ - ২৯শে রমজান, ১৪৪৫ হিজরি

মুক্তাগাছায় মহিলা অধিদপ্তরের কর্মকর্তার বিরোদ্ধে প্রশিক্ষণের প্রায় দেড় লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি,৩ জানুয়ারি ২০১৬:   ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলা মহিলা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা সুলতানা বেগম আকন্দের বিরোদ্ধে হতদরিদ্র মহিলা মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রদান প্রশিক্ষণের সরকারী বরাদ্দের ১লক্ষ ৩০হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানাযায়, উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে ৪শ ৮০জন দরিদ্র মা’র জন্য মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রদান কর্মসূচির আওতায় ২০১৪-২০১৫ অর্থ বছরে সরকারী ভাবে ১লক্ষ বিশ হাজার টাকা প্রশিক্ষণ ও যাতায়াত বাবদ ১০ হাজার টাকা সর্বমোট ১লাখ ত্রিশ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। উক্ত টাকা মহিলা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা সুলতানা বেগম আকন্দ গত ৯/৪/১৫ তারিখে উত্তোলন করলেও পরবর্তীতে কোন প্রকার প্রশিক্ষণের আয়োজন করেননি। এ ব্যাপারে তাঁরাটী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনির, ১০নং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম রিপন, ২নং বড়গ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইফুদ্দিন আহমেদ বাবুলসহ একাধিক চেয়ারম্যানগনের সাথে কথা বললে তারা জানান, প্রশিক্ষণ হওয়ার কথা ছিলো, কিন’ মহিলা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা কোন প্রশিক্ষণের আয়োজন করেন নাই। অন্য দিকে উপকারভোগি বিভিন্ন ইউনিয়নের গর্ভবতী প্রায় ১৫/২০জন মায়েরা জানান, তারা প্রশিক্ষণের কথা জানেন না। অন্য এক সূত্র থেকে জানাযায়, উক্ত মহিলা কর্মকর্তা মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রদান করার সময় ব্যাংক কর্মকর্তাদের সাথে বসে অতিকৌশলে মাতৃত্ব ভাতার স্বাক্ষর নেয়ার সময় প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে প্রশিক্ষণের ভাতা বিতরণের মাষ্টাররোলে কিছু সংখ্যক মা‘র কাছ থেকে ভাতা প্রদানের খাতায় স্বাক্ষর করিয়ে রেখেছেন। যা কাগজে-কলমে প্রশিক্ষণের নামে টাকা জায়েজ করারই নামান্তর।
এব্যাপারে সুলতানা বেগম আকন্দ সাংবাদিকদের জানান, তার বিরোদ্ধে আনা হতদরিদ্র মহিলা মাতৃত্বকালীন প্রশিক্ষণ ভাতা আত্মসাতের অভিযোগ ভিত্তিহীন। যথারীতি প্রশিক্ষণ হয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে ভাতার টাকা মাষ্টার রোলের মাধ্যমে মায়েদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৭:৫৫ অপরাহ্ণ | জানুয়ারি ০৩, ২০১৬