| দুপুর ১২:৪২ - বৃহস্পতিবার - ২৩শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ - ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ - ১৪ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি

কিশোরগঞ্জে দুই মেয়র প্রার্থীর ভোট বর্জন, একজনের পুনর্নির্বাচন দাবি

সিম্মী আহাম্মেদ, কিশোরগঞ্জ, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৫, বুধবার,
কিশোরগঞ্জের সাত পৌরসভার দু’টিতে দুই মেয়র প্রার্থী কারচুপির অভিযোগে নির্বাচন বর্জন করেছেন। এক মেয়র প্রার্থী পুনর্নির্বাচন দাবি করেছেন। বাজিতপুর পৌরসভার বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী এহসান কুফিয়া দুপুর ১টার দিকে নিজ বাসায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্র দখল করে ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে এখানে পুনর্নির্বাচন দাবি করেছেন। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা মো. শওকত আকবরও বেলা ১২টার দিকে নিজ বাসায় সংবাদ সম্মেলন করে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আনোয়ার হোসেন আশরাফের পক্ষ ব্যাপক কারচুপির অভিযোগে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। সংঘাতময় পরিসি’তির কারণে বাজিতপুর পৌরসভার রাজ্জাকুন্নেছা বালিকা বিদ্যালয়, নিতারকান্দি প্রাইমারি স্কুল কেন্দ্র, চন্দ্রগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং আফতাবউদ্দিন হাইস্কুল কেন্দ্রে সাময়িকভাবে ভোটগ্রহণ স’গিত ছিল। তবে নিতারকান্দি এবং চন্দ্রগ্রামে পরিসি’তি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ফাঁকা গুলিবর্ষণ করেছে। ভৈরব পৗরসভায় বিএনপির প্রার্থী বর্তমান মেয়র হাজী মো. শাহীন দুপুর ২টায় জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শরীফুল আলমের বাংলোতে সংবাদ সম্মেলন করে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ এনে নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধানত্ম জানিয়েছেন। এদিকে করিমগঞ্জ পৌরসভার পাইলট হাইস্কুল কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ প্রার্থী কামরম্নল ইসলাম চৌধুরী ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান মেয়র আব্দুল কাইয়ুমের সমর্থকদের মধ্যে কিছুড়্গণ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হলেও আইনশৃংখলা বাহিনী নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়।
বিভিন্ন পরিদর্শনে দেখা গেছে, ভোটারগণ বেশ ধীরেসুসে’ ভোটকেন্দ্রে গিয়েছেন। কিশোরগঞ্জ পৌরসভার উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রিসাইডিং অফিসার মো. সালাহউদ্দিন কায়সার জানান, তার কেন্দ্রে মোট ভোটার আছেন এক হাজার ৯৯৯ জন। বেলা ১২টা নাগাদ ৫৪৪ জন, অর্থাৎ শতকরা ২৭ ভাগ ভোটার ভোট দিয়েছেন। শহরের ইসলামিয়া ছাত্রাবাস কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার মো. আবুল কাশেম জানান, তার কেন্দ্রে মোট ভোটার আছেন তিন হাজার ২২১ জন। এর মধ্যে বেলা ১টা নাগাদ ১২শ’ জন, অর্থাৎ শতকরা ৩৭ ভাগ ভোটার ভোট দিয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৫:৪২ অপরাহ্ণ | ডিসেম্বর ৩০, ২০১৫