| রাত ৮:৪৪ - রবিবার - ১৪ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ - ৩০শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ - ১৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি

কিশোরগঞ্জের ৩৫৭ মন্ডপে দুর্গোৎসব

সিম্মী আহাম্মেদ, কিশোরগঞ্জ, ৭ অক্টোবর ২০১৫, বুধবার,
কিশোরগঞ্জের ৩৫৭টি পূজামন্ডপে এবার দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি চলছে। শান্তিপূর্ণ ভাবে দুর্গাপূজা উদযাপন নিশ্চিত করার লড়্গে পুলিশ প্রশাসন আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত আলোচনা সভা করেছে। বুধবার দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের কনফারেন্স রম্নমে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার হোসেন খান। এতে অন্যদের মধ্যে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সৈয়দ আবু সায়েম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) এসএম মোস্তাইন হোসেন, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট বিজয় শঙ্কর রায়, সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ দত্ত প্রদীপ, সদর উপজেলার সভাপতি রতন কুমার দাস, সাধারণ সম্পাদক মাখন দেবনাথ, ইটনার সভাপতি জীবন আচার্য্য, অষ্টগ্রামের সভাপতি বিশ্বনাথ দাস, ভৈরবের সভাপতি জিতেন্দ্র চন্দ্র দাস, মিঠামইনের সভাপতি কুটিল চন্দ্র দাস, বাজিতপুরের সভাপতি গৌতম চক্রবর্তী তাপস, সদর সার্কেলের সিনিয়র এএসপি খন্দকার ফজলে রাব্বী, সদর মডেল থানার ওসি মীর মোশারফ হোসেন প্রমুখ আলোচনায় অংশ নেন। সভায় জেলার ১৩টি উপজেলার পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ উপসি’ত ছিলেন।
সভায় জানানো হয়, এ বছর কিশোরগঞ্জ জেলায় মোট ৩৫৭টি পূজামন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তন্মধ্যে কিশোরগঞ্জ সদরে ৫৪টি, হোসেনপুরে ১৪টি, করিমগঞ্জে ১০টি, পাকুন্দিয়ায় ১৬টি, কটিয়াদীতে ৪৩টি, বাজিতপুরে ৫৮টি, কুলিয়ারচরে ২৪টি, ভৈরবে ২১টি, ইটনায় ২৯টি, নিকলীতে ১৫টি, মিঠামইনে ১১টি, অষ্টগ্রামে ৪৮টি ও তাড়াইলে ১৪টি ম-পে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছে।
জেলা ও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ সারা জেলায় পূজাকে ঘিরে উৎসবের পরিবেশ বিরাজ করছে উলেস্নখ করে সুষ্ঠুভাবে দুর্গাপূজা আয়োজনে তাদের নানা সুপারিশ তুলে ধরেন। পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার হোসেন খান সুষ্ঠুু ও শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপনের লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বলেন, পূজায় সার্বড়্গণিক নিরাপত্তা ব্যবস’া নিশ্চিত করা হবে। কেউ যেন কোন অপরাধমূলক তৎপরতার সুযোগ নিতে না পারে, সে লড়্গ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। এদিকে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের জন্য ব্যাপক তোড়জোড় চলছে। প্রতিমার সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে প্রতিমাশিল্পীরা মাটি আর রঙতুলি নিয়ে ব্যসত্ম সময় কাটাচ্ছেন। বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন নাটক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শেষ মুহূর্তের মহড়া চলছে। শহর ও গ্রামের দোকান-পাটে বাড়ছে ক্রেতাদের ভীড়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৬:১৩ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ০৭, ২০১৫