| সন্ধ্যা ৭:৪১ - বৃহস্পতিবার - ২রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ - ১৯শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ - ১০ই রজব, ১৪৪৪ হিজরি

শেরপুরে বন্যা পরিসি’তির অবনতি, দুটি উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের ৩০ গ্রাম বন্যা কবলিত

শেরপুর প্রতিনিধি: ০৮সেপ্টেম্বর, ২০১৫ মঙ্গলবার,
ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় আজ ৮ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার শেরপুরের বন্যা পরিসি’তির অবনতি হয়েছে। বর্তমানে শেরপুর সদর উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদসংলগ্ন ৫টি ও শ্রীবরদী উপজেলার ২টি ইউনিয়নের ৩০ গ্রাম বন্যা কবলিত হয়েছে। বন্যার পানিতে সদ্য রোপণ করা আমন, আধাপাকা আউশ ও সবজি খেত পানিতে তলিয়ে গেছে।
বন্যা কবলিত ইউনিয়নগুলো হচ্ছে শেরপুর সদরের চরপক্ষীমারী, চরমোচারিয়া, কামারেরচর, বলাইয়েরচর ও বেতমারী ঘুঘুরাকান্দি এবং শ্রীবরদীর ভেলুয়া ও খড়িয়া কাজিরচর ইউনিয়ন। এসব ইউনিয়নের ৩০ গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছেন।
পানি উন্নয়ন বোর্ড, শেরপুরের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. হাসানুজ্জামান বলেন, আজ মঙ্গলবার সকালে ব্রহ্মপুত্র নদে পানির উচ্চতা ১৫ দশমিক ৭৯ সেন্টিমিটার রেকর্ড করা হয়েছে। বর্তমানে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপৎসীমার মাত্র এক দশমিক ৪৩ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধির কারণে শেরপুর-জামালপুর মহাসড়কের সদর উপজেলার পোড়ার দোকান এলাকার রাসত্মার ওপর দিয়ে প্রবল বেগে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। বর্তমানে এই সড়কে যানবাহনগুলো ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।
শেরপুর সদর উপজেলার চরপড়্গীমারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আকবর আলী আজ মঙ্গলবার বিকেলে বলেন, তাঁর ইউনিয়নের বিসত্মীর্ণ এলাকার আমন ও সবজি আবাদ পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকায় এখন পর্যনত্ম কোনো ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হয়নি। বন্যার কারণে চরাঞ্চলের শ্রমজীবি মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে।
অপরদিকে শেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, বন্যা কবলিত মানুষের ত্রাণ সহায়তার জন্য জেলা প্রশাসনের নিকট আবেদন জানানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৭:০৬ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ০৮, ২০১৫