| বিকাল ৩:১৭ - শনিবার - ১৩ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ - ২৯শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ - ১৪ই মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি

শেরপুরে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি: সদর উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের ২০ গ্রাম পস্নাবিত

শেরপুর প্রতিনিধি: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫, রোববার, 
ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় আজ ৬ সেপ্টেম্বর রোববার শেরপুর সদর উপজেলার বন্যা পরিসি’তির অবনতি হয়েছে। বর্তমানে উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদসংলগ্ন ৫টি ইউনিয়নের ২০টি গ্রাম বন্যা কবলিত হয়েছে। বন্যার পানিতে সদ্য রোপণ করা আমন, আধাপাকা আউশ ধান ও সবজি খেত পানিতে তলিয়ে গেছে।
বন্যা কবলিত ইউনিয়নগুলো হচ্ছে শেরপুর সদরের চরপড়্গীমারী, চরমোচারিয়া, কামারেরচর, বলাইয়েরচর ও বেতমারী ঘুঘুরাকান্দি ইউনিয়ন। এসব ইউনিয়নের ২০টি গ্রামের প্রায় ছয় হাজার মানুষ পানিবন্দী অবস’ায় রয়েছেন।
পানি উন্নয়ন বোর্ড, শেরপুরের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. হাসানুজ্জামান বলেন, আজ রোববার সকালে ব্রহ্মপুত্র নদে পানির উচ্চতা ১৫ দশমিক ৫২ সেন্টিমিটার রেকর্ড করা হয়েছে। বর্তমানে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপৎসীমার মাত্র এক দশমিক ৭০ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদে পানি বৃদ্ধির কারণে শেরপুর-জামালপুর মহাসড়কের সদর উপজেলার পোড়ার দোকান এলাকায় সড়কের ওপর দিয়ে প্রবল বেগে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। বর্তমানে এই সড়কে যানবাহনগুলো ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।
সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পিকন কুমার সাহা বলেন, বন্যায় শেরপুরের ২ হাজার ৮শত হেক্টর জমির রোপা আমন, এক শ হেক্টর জমির জমির সবজি খেত পানিতে তলিয়ে গেছে। ড়্গয়ড়্গতির পরিমাণ নিরম্নপণের কাজ চলছে।
শেরপুর সদরের চরপড়্গীমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আকবর আলী বলেন, তাঁর ইউনিয়নের কুলুরচর- বেপারিপাড়া, ভাগলগড়, ডাকপাড়া, চরজঙ্গলদি ও চুনিয়ারচর গ্রামের বিসত্মীর্ণ এলাকা পস্নাবিত হয়েছে। সেইসঙ্গে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গণে অর্ধশতাধিক বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। বন্যার কারণে চরাঞ্চলের শ্রমজীবি মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। বন্যা কবলিত মানুষের ত্রাণ সহায়তার জন্য উপজেলা প্রশাসনের নিকট আবেদন জানানো হয়েছে।
শেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, নদী ভাঙ্গণে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের ত্রাণ সহায়তার জন্য জেলা প্রশাসকের নিকট আবেদন জানানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৭:১৯ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ০৬, ২০১৫