| সকাল ৬:১১ - বৃহস্পতিবার - ৯ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ - ২৬শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ - ১৭ই রজব, ১৪৪৪ হিজরি

খান বাহাদুর ঈসমাইল ও গফরগাঁও-টোক সড়কের ৬১ কিলোমিটার মরণফাঁদ

আজহারুল হক, গফরগাঁও,  ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫, শনিবার,
দীর্ঘদিন সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষন না করায় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়ে খান বাহাদুর ঈসমাইল সড়ক ও গফরগাঁও টোক সড়কের ৬১ কিলোমিটার পথের পুরোটাই মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।
জানা যায়, সড়ক ও জনপথ বিভাগের ময়মনসিংহ থেকে গফরগাঁও পর্যন- খান বাহাদুর ঈসমাইল সড়ক ৩৭ কিলোমিটার ও গফরগাঁও-টোক সড়ক ২৪ কিলোমিটার। এ সড়ক দুটির ৬১ কিলোমিটার পথের সিংহভাগই এখন বেহাল দশা। সড়কের দু’পাশ থেকে মাটি সরে গিয়ে ও মাঝখানে অসংখ্য গর্ত সৃষ্টি হয়ে পরিণত হয়েছে মরণফাঁদে। এতে করে অহরহ ঘটছে দুর্ঘটনা। ফলে নিত্যদিন ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন শ্রমিক, ডাইভার, গাড়ী মালিক ও ব্যবসায়ীরা।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, খান বাহাদুর ঈসমাইল সড়কের কালিবাজার, বালিপাড়া ও ধলাবাজার ও গফরগাঁও পৌর এলাকার ফায়ার সার্ভিস অফিস ও হাসপাতাল এলাকায় এখন বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে ডোবা নালায় পরিণত হয়েছে।
সড়ক দুটি মেরামতের জন্য স্থানীয় এমপি ফাহমি গোলন্দাজ বাবেল সড়ক ও সেতু মন্ত্রীর সাথে একাধিকবার কথা বলেছেন।
ধলা বাজারের শাপলা মৎস হ্যাচারী মালিক জসিম উদ্দিন জানান, খান বাহাদুর ঈসমাইল সড়ক চলাচলে অনুপযোগী হওয়ায় কয়েকগুন বেড়ে গেছে পরিবহণ খরচ। ফলে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও মৎসচাষীরা পরেছেন লোকসানে।
গফরগাঁও ইউনিয়নের তেতুলিয়া গ্রামের আবুল কালাম ও কামরুজ্জামান নূতন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ভাই গফরগাঁও-টোক সড়কে কতটুকু খারাপ এমন প্রশ্ন না করে জিজ্ঞাসা করেন এই সড়কের কয় হাত জায়গা ভাল।
সড়ক দুটির বেহাল দশার কথা স্বীকার করে ময়মনসিংহ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শামীম আল মামুন বলেন, শিঘ্রীই টেন্ডার দিয়ে সড়কের মেরামত কাজ শুরু করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৭:২৬ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ০৫, ২০১৫