| সকাল ১০:৩৯ - সোমবার - ৬ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ - ২৩শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ - ১৪ই রজব, ১৪৪৪ হিজরি

ফুলবাড়ীয়ায় যুদ্ধাপরাধ ও বাড়ী পোড়া মামলার আসামী তিন শিশু

 

ফুলবাড়ীয়া ব্যুরো ঃ ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৫, বুধবার, 

উপজেলার বিদ্যানন্দ গ্রামের কথিত মুক্তিযোদ্ধা আ. কদ্দুস যুদ্ধাপরাধী ও বাড়ী পোড়া মামলায় ১জন রাজাকারসহ ঐ সময়কার ৩শিশুকে আসামী করার প্রমান পাওয়া গেছে।
এ ব্যাপারে নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি থেকে বাঁচাতে হাজার হাজার মানুষের উপসি’তি বিদ্যানন্দ নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় মাঠে সঠিক তদনেত্মর স্বার্থে ঐ দিন শালিশ দরবার থেকে স্বাধীনতা যুদ্ধের অতন্দ্র প্রহরী মুক্তিযোদ্ধা ও সরকার দলীয় ব্যক্তিবর্গ সম্মিলিতভাবে ১৭সদস্য বিশিষ্ট কলহ নিস্পত্তি কমিটি এবং পরে সেই কমিটি অধিকতর তদনেত্মর জন্য ৭সদস্য তদনত্ম কমিটি গঠন করে।
তদনত্ম কমিটির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আ. কদ্দুস তার ২সহোচর আ. মান্নান ও নওশের আলী কতৃক পৃথক ৩টি মামলা ময়মনসিংহের বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২নং আমলী আদালতে দায়ের করেন, এতে ঘটনা প্রবাহ প্রায় একই। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময় মাও. আব্দুলস্নাহ ৫ম শ্রেণীতে লেখাপড়া করতেন, জাতীয় পরিচয়পত্র ও শিড়্গাগত যোগ্যতার সনদ অনুযায়ী জন্ম তারিখ ১মার্চ, ১৯৬৩। ২৫মার্চ/১৯৭১ ইং সনে তার বয়স হয় ৮বছর ২৪দিন।
আসামী আঃ হক এবং মকবুল হোসেন ১৯৭০সনে জন্ম গ্রহণ করেছেন। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী জন্ম তারিখ ০৩ জানুয়ারি ১৯৭০। যুদ্ধের সময় তার বয়স ছিল ১বছর ২মাস ২৮দিন।
যুদ্ধপরাধ ও বাড়ী পোড়া মামলা থেকে বিদ্যানন্দ ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্‌রাসার উপাধ্যক্ষ মাও. আব্দুলস্নাহ, আব্দুল হক ও মকবুল হোসেনকে জনতা অব্যাহতি দেয়ার দাবী জানান। কারণ যুদ্ধের সময় তারা শিশু ছিল, তারা রাজাকার বা আল বদর কোনটাই ছিল না। আ. কদ্দুসের বাড়ী পোড়া মামলা নিয়ে বিশদ আলোচনা করে বিভিন্ন জনের মতামত স্বাক্ষর প্রমানানেত্ম বুঝা যায় এ মামলার যাদের আসামী করা হয়েছে তারা ধর্মীয় অনুশাসনের জীবন-যাপন, শান্তিপ্রিয় ও সুশিক্ষিত মানুষ। আ. কদ্দুস যাদেরকে আসামী করে যুদ্ধপরাধী ও বাড়ী পোড়া মামলা করেছে তাদের কাছে বিভিন্ন সময় ১৯৯৭-২০০৮সাল পর্যন্ত ৮টি সাফ কাওলা দলিলে ১৮কাঠা জমি বিক্রি করেছেন, যা তারা ১৭/১৮বছর যাবৎ ভোগ করে আসছেন। অপরদিকে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা ও বাড়ী পোড়া অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলা কমান্ডারের নির্দেশে দফতর সম্পাদক কামাল উদ্দিনকে সরেজমিনে তদন্তে পাঠান। উপজেলা কমান্ডার আবু বকর সিদ্দিকের সহযোগিতায় তদনত্মকালীন সময় শত শত লোকজনের উপসি’তিতে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার প্রমান পান এবং বাড়ী পোড়া অভিযোগটি মিথ্যা। মুলত মকবুল হোসেনের জমি বেদখল কে কেন্দ্র করে নিজের বাড়ীতে নিজেই আগুন দিয়েছে বলে তদনেত্ম প্রমানিত হয়। আ. কদ্দুস যাদেরকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে আসামী করেছে তারা যুদ্ধাকালীন সময় শিশু ছিল বলে উপসি’ত শত শত লোক স্বাক্ষী দেয়। #

সর্বশেষ আপডেটঃ ৯:১২ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ০২, ২০১৫