| রাত ৩:২০ - মঙ্গলবার - ২রা আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ - ১৮ই শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ - ৩রা মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি

মুক্তাগাছায় সাংবাদিক সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধার জমি দখলের অভিযোগ ঃ মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি

 

মুক্তাগাছা থেকে সিরাজুল হক সরকার, ২৯ আগস্ট ২০১৫, শনিবার: 
মুক্তাগাছা উপজেলার পদুরবাড়ির এলাকায় সম্ভ্রানত্ম মীর পরিবারের এক মুক্তিযোদ্ধার জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। আজ শনিবার বিকেলে স্থানীয় মুক্তাগাছা প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন মীর আঃ সাত্তার মোহন মিয়া। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা প্রভাব কাটিয়ে প্রশাসনকে প্রভাবিত করে জমি দখল তরান্বিত করার অভিযোগ করেন।
মুক্তাগাছার পদুরবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা, ডি ইউ এ ই বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানী লিঃ এর সাবেক ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও হংকং এ কুটনৈতিক ফ্রন্টের মুক্তিযোদ্ধা মীর আঃ সাত্তার ওরফে মোহন মিয়া এক সময় তার মেয়ের জামাই মীর আবুল হাশিমের কাছে মসজিদের জমিসহ প্রায় ৫ একর জমি বার্ষিক ভাড়া দেন। ওই জমিতে মীর আবুল হাশিম মাছ চাষ করেন। ২০১১ সালে তার মেয়ের জামাই আবুল হাশিম মারা যান। এতে সব ধরণের বরাদ্দ ও ভাড়া বাতিল করা হয়। পারিবারিক সমঝোতায় পুনরায় ভাড়া দেওয়ার আলোচনা হলেও শর্ত পূরণ না হওয়ায় নুতন করে ওই জমি ভাড়া দেওয়া হয়নি। এ পর ২০১২ সাল থেকে মৃত আবুল হাশিমের বাবা মীর আমজাদ আলী ও তার দুই ছেলে মীর আবুল হাসান এবং মীর আঃ আউয়াল আরিফ জমিটি এ পর্যন্ত জবর দখল করে রাখেন। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় থানায় ও গ্রাম্য শালিসের আয়োজন করেও জমিটি উদ্ধার করতে পারেননি। তিনি যেখানেই বিচার চাইতে গেছেন সেখানেই প্রভাব খাটান প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি মনিরম্নন নেসা নিনু। তিনি থানায় ও বিভিন্ন মহলে টেলিফোন করে তাকে হেনস’া করেছেন। সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত ও মৌখিক বক্তব্যে তার বিরম্নদ্ধে এ অভিযোগ করেন মীর আঃ সাত্তার মোহন মিয়া। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মনিরম্নন নেসা নিনুর নামে লিখিত অভিযোগ করেও কোন সুবিচার পায়নি মীর আঃ সাত্তার মোহন মিয়া। অবশেষে দীর্ঘদিনের অপেড়্গার পর জমি ও ভাড়ার টাকা না দেওয়ায় চলতি মাসের ১০ আগস্ট একই এলাকার আওয়ামীলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম বাহাদুর ও তার ভাইদের কাছে নতুন করে ভাড়া দেয়। ভাড়া নেওয়ার পর জমিটি তাদের দখলে নিতে গেলে মীর আমজাদ হোসেন ও তার ছেলেদের সাথে রফিকুল ইসলাম বাহাদুরদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রফিকুল ইসলাম বাহাদুর ও তার ভাইদের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহ আদালতে দ্রম্নত বিচার আইনে মামলা করেন মীর আমজাদা হোসেনের ছেলে মীর আঃ আউয়াল আরিফ।
সাংবাদিক সম্মেলনে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, পাওনা টাকা ও জমি উদ্ধারের দাবি জানান, জমির মালিক মীর আঃ সাত্তার মোহন মিয়া।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি মনিরম্নন নেসা নিনুর সাথে মুঠোফোনে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের কোন কিছু বলতে রাজি হননি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৮:৫৯ অপরাহ্ণ | আগস্ট ২৯, ২০১৫