| সকাল ৬:০৭ - শুক্রবার - ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ - ১৫ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ - ৩রা রবিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি

ধলা ভবঘুরে আশ্রয় কেন্দ্র থেকে ১২ কিশোরের পলায়ন, তদন্ত কমিটি গঠন, ৫ আনসার সদস্য ক্লোজড

গফরগাঁও প্রতিনিধি ঃ ১৪ জুলাই ২০১৫, মঙ্গলবার: 
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের পাশ্ববর্তী ধলা ভবঘুরে আশ্রয় কেন্দ্র থেকে গত সোমবার রাতে ১২ শিশু রান্না ঘরের চালার টিন কেটে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ময়মনসিংহের এডিসি (সার্বিক) প্রধান করে ২ সদস্যের তদনত্ম কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়াও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ৫ আনসার সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
জানা যায়, ধলার ভবঘুরে আশ্রয় কেন্দ্রটি সমাজ সেবা অধিদপ্তর পরিচালনা করে আসছে। বর্তমানে আশ্রয় কেন্দ্রে ২৩০ জন ভবঘুরে রয়েছে। এদের মধ্যে গত সোমবার রাতে ১২ জন পালিয়ে গেছে। অভিযোগ রয়েছে নিন্মমানের খাবার, শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার, নোংরা পরিবেশে জীবন যাপন এবং ভবঘুরে কেন্দ্র থেকে ভবঘুরেদের জোরপূর্বক কেন্দ্রের দায়িত্বরত কর্মকর্তা ও ঠিকাদারের বাসায় কাজ করতে বাধ্য করা হয়। এ অবস’ায় অতিষ্ঠ হয়ে সোমবার ১০টার দিকে রান্না ঘরের টিনের চালা কেটে ১২ ভবঘুরে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে ত্রিশালের ইউএনও মাহমুদ হাসান সাহিন ও গফরগাঁও সার্কেলের সিনিয়র এ এসপি বিল্লাল হোসেন রাতেই ঘটনাস’ল পরিদর্শন করেন।
ভবঘুরে আশ্রয় কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক ও ত্রিশাল উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা আলী হোসেনের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি উত্তেজিত হয়ে বলেন নিউজ করে কি হবে। এ ঘটনায় ৫ আনসার সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে। এছাড়াও তিনি আশ্রয় কেন্দ্রে নোংরা পরিবেশের কথা স্বীকার করে বলেন, এখন খাবারের মান বেশ ভাল। আমি কখনোই কোন ভবঘুরে নিয়ে আমার বাসায় কাজ করায়নি। তবে ঠিকাদার বাড়িতে নিয়ে ভবঘুরে দেরকে দিয়ে কাজ করায় কিনা তা আমার জানা নেই।
ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ হাসান সাহিন বলেন, এ ঘটনায় গঠিত তদনত্ম কমিটি কাজ শুরু করেছে।
তদনত্ম কমিটির প্রধান ময়মনসিংহের এডিসি (সার্বিক) আব্দুল আহাদ মুঠোফোনে বলেন, এখন আমি মিটিংয়ে রয়েছি। এ ব্যাপারে পরে কথা বলব।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৯:৫৩ অপরাহ্ণ | জুলাই ১৪, ২০১৫