| রাত ২:০২ - বুধবার - ১০ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ - ২৬শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ - ১১ই মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি

বৃহত্তম ঈদ জামাতের জন্য প্রস্তুতি হচ্ছে শোলাকিয়া

সিম্মী আহাম্মেদ, কিশোরগঞ্জ ●
দেশের সর্ববৃহৎ ঈদ জামাতের জন্য প্রস’ত হচ্ছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান। সুষ্ঠুভাবে ঈদ জামাত আয়োজনের জন্য শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠ পরিচালনা কমিটির গ্রহণ করা ঈদগাহ মাঠ প্রস’তকরণের কাজ এগিয়ে চলেছে পুরোদমে।
প্রস’তি তদারকির অংশ হিসেবে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠ কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক জিএসএম জাফরউলস্নাহ্‌ মাঠ পরিদর্শন করেছেন। এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জামিল আহমেদ, মাঠ কমিটির সদস্যসচিব সদরের ইউএনও মোহাম্মদ আবু নাসের বেগসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপসি’ত ছিলেন।
জেলা প্রশাসক জিএসএম জাফরউলস্নাহ্‌ জানান, প্রতিবারের মত এবারও শোলাকিয়ায় দেশের সর্ববৃহৎ ঈদ-উল-ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। সুষ্ঠুভাবে জামাত অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে গত ৫ই জুলাই একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভার সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী প্রস’তিমূলক কর্মকা- ইতোমধ্যে শুরম্ন হয়ে গেছে। ঈদগাহ ময়দানজুড়ে কাতারের লাইন টানা, মাঠ পরিস্কার পরি”ছন্ন করণ ও ধোয়া মুছার কাজ পুরোদমে চলছে। মাঠে পানি সরবরাহ, পয়নিস্কাশন ব্যবস’া উন্নয়নসহ মুসলিস্নদের নামাজ পড়ার উপযোগী করে তোলার জন্যে সব ধরনের প্রস’তি গ্রহণ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক আরো জানান, এবারের ১৮৮তম ঈদুল ফিতরের জামাতের ইমামতি করবেন ইসলাহুল মুসলিহীন পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসউদ। দূর-দূরানত্ম থেকে আসা মুসলিস্নদের সুবিধার্থে বাংলাদেশ রেলওয়ে বরাবরের মতো এবারও ঈদ-উল-ফিতরের দিন ‘শোলাকিয়া ঈদ স্পেশাল’ নামে ২টি বিশেষ ট্রেনের ব্যবস’া করেছে। এছাড়া জামাতকে ঘিরে পর্যাপ্ত নিরাপত্তামূলক ব্যবস’ার প্রস’তিও রাখা হয়েছে। জিএসএম জাফরউলস্নাহ্‌ বলেন, অন্যান্য বারের তুলনায় এবারের ঈদ জামাত আরো বেশি উৎসবমুখর হবে বলে আশা করছি। ঐতিহ্যবাহী এ ঈদ জামাতে অংশগ্রহণের জন্য দেশবাসীকে জেলা প্রশাসন, কিশোরগঞ্জের পড়্গ থেকে সাদর আমন্ত্রণ জানা”িছ।
কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের পূর্বপ্রানেত্ম নরসুন্দা নদীর তীর ঘেঁষে অবসি’ত প্রাচীন এবং ঐতিহ্যবাহী এ শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে এ বছর ১৮৮ তম ঈদজামাত অনুষ্ঠিত হবে। কিশোরগঞ্জ মৌজার এ মাঠের মূল আয়তন বর্তমানে ৬.৬১ একর। চারপাশে অনু”চ প্রাচীর ঘেরা শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে মোট ২৬৫টি কাতার রয়েছে যেখানে একসঙ্গে দেড় লড়্গাধিক মুসলিস্ন নামাজ আদায় করেন। এছাড়া মাঠে স’ান সংকুলান না হওয়ায় ঈদগাহ সংলগ্ন খালি জায়গা, রাসত্মা এবং নিকটবর্তী এলাকায় দাঁড়িয়ে সমসংখ্যক মুসলিস্ন এ বৃহত্তম ঈদজামাতে শরিক হন। প্রতিবছরই জামাতের কলেবর বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে পড়ছে এ মাঠের সুনাম।

সিম্মী আহাম্মেদ

সর্বশেষ আপডেটঃ ৯:৩৩ অপরাহ্ণ | জুলাই ০৭, ২০১৫