| রাত ১১:১৬ - বুধবার - ১০ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ - ২৬শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ - ১১ই মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি

৩১ রানে হেরে বাংলাদেশ হোয়াইটওয়াশ

অনলাইন ডেস্ক, ৭ জুলাই ২০১৫, মঙ্গলবার:

প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৫২ রানে হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচে ৩১ রানে হারলো বাংলাদেশ। এতে সফরকারী দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ২ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হলো স্বাগতিকরা। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাটে গিয়ে ৪ উইকেটে ১৬৯ রান সংগ্রহ করে দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে ১৯.২ ওভরে ১৩৮ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। এতে ৩১ রানের হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাদের।
১৭০ রানের টর্গেটে ব্যাটে নেমে দারুণ সূচনা করে বাংলাদেশ। উদ্বোধনী জুটিতে তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকার ৫.৫ ওভারে ৪৬ রান তোলেন। তামিম ইকবাল ১৮ বলে ব্যক্তিগত ১৩ রানের পর স্যৌম্য সরকার ২১ বলে ৩৭ রানে ফেরেন। তবে এরপর আর কেউ উইকেটে দাঁড়াতে পারেনি। একে এক সাকিব আল হাসান ৮, সাব্বির রহমান ১, মুশফিকুর রহীম ১৯ ও নাসির হোসেন কোনো রান না করেই ফেরেন। শেষ দিকে মাশরাফি ৮ বলে ১৭ রান করে লাড়াইয়ের ইঙ্গিত দেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটা আর হয় নি। তবে অভিষিক্ত রনি তালুকদার ২২ বলে ২১ রান করেন।
এর আগে বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে আগে ব্যাট করা সফরকারী দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৬৯ রান। শুরু থেকেই মারমুখি ব্যাট করেন আফ্রিকার দুই ওপেনার কুইন্টন ডি কক ও এবি ডি ভিলিয়ার্স। উদ্বোধনী জুটিতে তারা ১০.৩ ওভারে ৯৫ রানের জুটি গড়েন। কিন্তু কুইন্টন ডি কককে ব্যক্তিগত ৪৪  রানে ফেরান স্পিনার আরাফাত সানি। দলীয় ১২তম ওভারে নাসির হোসেন দ্বিতীয় ও তৃতীয় বলে জেপি ডুমিনি ও এবি ডি ভিলিয়ার্সকে ফেরান। ডি ভিলিয়ার্স ৩৪ বলে ৪০ রানে আউট হন। নাসির হোসেনের জোড়া আঘাতের পর রানের গতি কিছুটা শ্লথ হয়ে আসে সফরকারীদের। তবে রাইলি রুসে ৬ বলে ১৯ ও ডেভিড মিলার ২৮ বলে ৩০ রানে অপরাজিত থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার বড় সংগ্রহ দাঁড় করাতে সাহায্য করেন।
সিরিজের প্রথম ম্যাচে সফরকারীরা জিতেছিল ৫২ রানে। বাংলাদেশ দলে একটি পরিবর্তন এসেছে। স্পিনার সোহাগ গাজীর পরিবর্তে আজ টি-টোয়েন্টি অভিষেক হলো ব্যাটসম্যান রনি তালুকদারের। বাংলাদেশ আটজন ব্যাটসম্যান ও মাত্র তিনজন বোলার নিয়ে আজ মাঠে নেমেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৪:৫৭ অপরাহ্ণ | জুলাই ০৭, ২০১৫