| রাত ১১:০৩ - বুধবার - ১৭ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ - ২রা ভাদ্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ - ১৮ই মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি

রমজানে দ্রব্যমূল্য না বাড়ানোর জন্য ব্যাবসায়ীদের প্রতি আহবান-মেয়র টিটু

লোকলোকান্তর ডেস্কঃ  রমজানকে ঘিরে ময়মনসিংহে কয়েকগুণ বেড়ে গেছে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। নানা অজুহাতে পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন বিক্রেতারা। এর মধ্যে বেশি বেড়েছে পেঁয়াজ, ছোলা, তেল, চিনি, সবজি, মাছ, মাংস, আদা ও কাঁচামরিচের দাম। সবেচেয়ে বেশি বেড়েছে বেগুন, শশা, লেবু ও সবজি।
শবেবরাত উপলক্ষে যে দাম বাড়ানো হয়, তা চলতি সপ্তাহেও কমেনি। রমজানে এসব পণ্য চড়া দামে বিক্রি করতেই নানা অজুহাতে বাড়তি দাম ধরে রেখেছেন খুচরা বিক্রেতারা। এতে খোলা বাজারে সব পণ্যের দাম আরেক দফা বেড়ে যেতে পারে বলে সাধারণ ক্রেতারা আশঙ্কা করেছেন।
শহরের বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে পণ্য মূল্যের উর্ধ্বগামীতার চিত্র লক্ষ্য করা গেছে। পবিত্র রমজান মাসের শুরুতে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দর। ক্রেতারা যেন দিশেহারা হয়ে পরেছেন।
জানা যায়, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর বাজার দর নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতি বছর ময়মনসিংহ পৈারসভার পক্ষ থেকে বিভিন্ন দ্রব্যের মূল্য তালিকার বোর্ড তৈরি করে বাজারে দেয়া হয়। দোকানীরা প্রতিদিন এ বোর্ডে দ্রব্যের বিক্রয় দর লিখে রাখেন ব্যাবসায়ীরা।
দাম বেশি নেয়া সম্পর্কে বিক্রেতারা বললে, ভালো পণ্য কিনতে গেলে একটু বেশি দাম পড়ে। তাই খুচরা বাজারে আমাদের বেশি বিক্রি করতে হচ্ছে।
শুধু তালিকার ব্যবধান নয় রমজান উপলক্ষে মাত্র তিনদিনের ব্যবধানে একাধিক নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বড় লাফ দিয়ে বেড়েছে।
শহরের সানকিপাড়া রেল ক্রসিং বাজার, নতুন বাজার, মেছুয়া বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে গিয়ে দেখা যায় মূল্য তালিকায় পেয়াজের দাম লেখা আছে কেজিপ্রতি ৩৪-৪০ টাকা অথচ তার একটু দূরে বিক্রি হচ্ছে দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৪৫ টাকা, ভারতীয় পেঁয়াজও কেজি প্রতি ৩৮ টাকায়। প্রতি কেজি ছোলা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা। লিটার প্রতি বোতলজাত তেল বিক্রি হচ্ছে ৮৮ টাকায়। মূল্য তালিকায় চিনির দাম লেখা আছে কেজিপ্রতি ৩৮-৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে ৪৪ টাকা দরে। মাংসের বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি করছে ৩৮০ টাকা, খাসির মাংস বিক্রি করছে ৫০০ টাকায়। কেজিতে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি করছে ১৪৫-১৫০ টাকা। কাঁচামরিচ ৫০ থেকে ৬০ টাকা, লেবু প্রতি হালি প্রকার ভেদে ২০ থেকে ৩০ টাকা দরে বিক্রি করছে। বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা, টমেটো ৬০ টাকা শসা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা।
রমজান এলেই একটি সক্রিয় বাজার সিন্ডিকেটের কাছে সবাই যেন জিম্মি হয়ে পড়েন। এমন অভিযোগ সাধারণ থেকে শুরু করে অনেকেরই। সবাই এখন অসহায়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ময়মনসিংহ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ও পৈারসভার মেয়র মোঃ ইকরামুল হক টিটু যমুনা নিউজকে বলেন, গত রমজানের তুলনায় এবার আমদানি অনেক বেশি হয়েছে। মাছ বাজার, মুদী দোকানীসহ সকল ব্যবসায়ীকে একটি মাস রোজাদারসহ সাধারণ মানুষ যেন কষ্ট না পায় সেজন্য দ্রব্যমূল্য না বাড়ানোর জন্য দোকানীদের প্রতি আহবান জানান মেয়র টিটু।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৯:৪৬ অপরাহ্ণ | জুন ২৩, ২০১৫