| বিকাল ৫:২৩ - শুক্রবার - ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ - ১০ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ - ১২ই শাবান, ১৪৪৫ হিজরি

বাংলার প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে কবি বেগম সুফিয়া কামালের ছিল আপোসহীন দৃপ্ত পদচারণা : প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা, ১৯ জুন ২০১৫ (বাসস) : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সুফিয়া কামাল একদিকে ছিলেন আবহমান বাঙালি নারীর প্রতিকৃতি, মমতাময়ী মা, অন্যদিকে বাংলার প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে ছিল তাঁর আপোসহীন দৃপ্ত পদচারণা।
প্রধানমন্ত্রী আজ কবি বেগম সুফিয়া কামালের ১০৪তম জন্মদিন উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পঁচাত্তরের পনেরই আগস্টে নির্মমভাবে হত্যা করে যখন এদেশের ইতিহাস বিকৃতির পালা শুরু হয়, তখনও বেগম সুফিয়া কামালের সোচ্চার ভূমিকা বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের গণতান্ত্রিক শক্তিকে নতুন প্রেরণা যুগিয়েছিল।
তিনি বলেন, সাহিত্যে তাঁর সৃজনশীলতা ছিল অবিস্মরণীয়। শিশুতোষ রচনা ছাড়াও দেশ, প্রকৃতি, গণতন্ত্র, সমাজ সংস্কার এবং নারীমুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর লেখনী আজও পাঠককে আলোড়িত ও অনুপ্রাণিত করে।
শেখ হাসিনা বলেন, বায়ান্ন’র ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, একাত্তরের অসহযোগ আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ এবং স¦াধীন বাংলাদেশে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক সংগ্রামসহ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে তাঁর প্রত্যক্ষ উপস্থিতি তাঁকে জনগণের ‘জননী সাহসিকা’ উপাধিতে অভিষিক্ত করেছে।
নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার চিন্তাধারা কবি সুফিয়া কামালের জীবনের সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলেছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মহিলা হোস্টেলকে ‘রোকেয়া হল’ নামকরণের দাবি জানান। ১৯৬১ সালে পাকিস্তান সরকার রবীন্দ্রসংগীত নিষিদ্ধ করলে এর প্রতিবাদে গঠিত আন্দোলনে তিনি যোগ দেন। শিশু সংগঠন কচিকাঁচার মেলারও তিনি প্রতিষ্ঠাতা।
বাংলাদেশের প্রগতিশীল, অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক এবং নারীমুক্তি আন্দোলনের অন্যতম অগ্রদূত কবি বেগম সুফিয়া কামালের জন্মদিন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১:১৮ অপরাহ্ণ | জুন ১৯, ২০১৫