| রাত ৯:২৮ - শনিবার - ৩রা ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ - ১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ - ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি

নেত্রকোনায় হত্যা মামলায় মা ছেলেসহ ৩জনের যাবজ্জীবন

নেত্রকোনা প্রতিনিধি : ১৭ জুন ২০১৫, বুধবার: 

নেত্রকোনার কলমাকান্দার বড়ইউন্দ গ্রামের জ্যোতিষ চক্রবর্তীর ছেলে শিশু প্রীতিষ কুমারকে(১৩) হত্যার অভিযোগে তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড, প্রত্যেককে ২০হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই বছর করে সশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। নেত্রকোনার অতিরিক্ত দায়রা জজ মো. আবদুল হামিদ আজ বুধবার দুপুরে এই রায় দেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামীরা হচ্ছেন- কলমাকান্দার দত্তখিলা গ্রামের নিলকমল ভৌমিকের ছেলে জুয়েল ভৌমিক, একই উপজেলার নাগারগাতি গ্রামের মৃত মনীন্দ্র দত্তের ছেলে মলয় দত্ত এবং তার মা সুনীতি রানী দত্ত। একই আদালত মামলার অপর তিন আসামী নাগারগাতী গ্রামের অনিল তালুকদার, শ্যামল ভৌমিক, বিপ্লব ভৌমিককে মামলার দায় থেকে খালাস দিয়েছেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, জেলার কলমাকান্দার নাগারগাতি গ্রামের কৃষ্ণ চক্রবর্তীর বাড়িতে থেকে ভাগ্নে প্রীতিষ কুমার স্কুলে পড়াশুনা করত। গত ১৯৯৮ সালের ১২ জুলাই বিকেলে একই গ্রামের শিশু সনাতনের সাথে খেলা নিয়ে জগড়া হয় প্রীতিষের। এ নিয়ে প্রীতিষের মামি আশা রানী চক্রবর্তীর সাথে সুনীতি রানী দত্তের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে সুনীতি প্রীতিষকে মারতে উদ্যত হয়। এ সময় প্রীতিষ দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে একই গ্রামের হরিপদের বাড়ির গোয়ালঘরের ধরনায় তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় কলমাকান্দা থানায় অপমৃত্যু মামলা করা হয়। পরে মামলার তদন- করতে গিয়ে হত্যাকান্ড ধরা পরে। কলমাকান্দা থানার এসআই মো. আবদুল ওয়াহেদ মিয়া বাদী হয়ে ১১ আগস্ট ৬জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ একই বছরের ১৩ ডিসেম্বর আসামীদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। তিন আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমানীতে হওয়ায় বিজ্ঞ বিচারক তাদের যাবজ্জীবন করাদন্ড ও বাকী তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমানীত না হওয়ায় মামলার দায় থেকে খালাস প্রদান করেন। সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট সাইফুল আলম প্রদীপ, আসামী পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৫:১৪ অপরাহ্ণ | জুন ১৭, ২০১৫