| বিকাল ৩:৫৯ - শুক্রবার - ২৫শে নভেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ - ১০ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ - ৩০শে রবিউস সানি, ১৪৪৪ হিজরি

ক্রিস গেইলের দানবীয় ১৫টি শতক

অন লাইন ডেস্ক,১ জুন ২০১৫, সোমবার:

বোলারদের মাঠ ছাড়া করতে ক্যারিবীয়ান ব্যাটিং দানব ক্রিস গেইলের জুড়ি নেই। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ধুমধারাক্কা ব্যাটিংয়ের এক যুগ দেখেছে ক্রিকেট বিশ্ব। এই এক যুগে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরমেটে ক্রিস গেইল হাঁকিয়েছেন ১৫টি শতক।

২০০৭ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে গেইল তার প্রথম শতকটি হাঁকান। মাখায়া এনটিনি, শন পোলকদের দ. আফ্রিকার বিপক্ষে ৫০ বলে শতক হাঁকিয়ে ৫৭ বলে ৭টি চার আর ১০টি ছক্কায় ১১৭ রান করলেও সে ম্যাচে পরাজয় মেনে নেয় গেইলের দল।

২০১১ সালে আইপিএলের আসরে গেইল তার দ্বিতীয় শতকটি পান। রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর হয়ে ৫৫ বলে ১০২ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। দলও জেতে গেইলের শতকে। একই আসরে তৃতীয় শতকটি হাঁকাতে গেইল খেলেন ৪৬ বল। সে বছরই ক্যারিবীয়ান ড্যাসিং ওপেনারের ব্যাট থেকে ৫৮ বলে ও ৫৩ বলে দুটি শতক পায় যথাক্রমে মাতাবেল্যান্ড ও সিডনি থান্ডারস।

২০১২ সালে গেইলের ব্যাট থেকে আরও তিনটি ঝড় দেখা যায়। শতক পেরুনো তিনটি স্কোরের মধ্যে বাংলাদেশের দর্শক সাক্ষী হয় দুটি ম্যাচের। বিপিএল আসরে বরিশাল বার্নাসের হয়ে ৪৪ ও ৫৩ বলে দুটি শতক হাঁকান তিনি। আর বাকি শতকটি (৫৩ বলে) আসে ব্যাঙ্গালুরুর হয়ে।

২০১৩ সালেও টি-টোয়েন্টিতে গেইল তিনবার তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছান। জ্যামাইকার হয়ে ৬১ বলে ১২২ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। একই বছর বিপিএলের ম্যাচে ঢাকা গ্লাডিয়েটর্সের হয়ে গেইল খেলেন ৫১ বলে ১১৪ রানের ইনিংস। বাকি শতকটি ব্যাঙ্গালুরুর হয়ে। সে বছরের শেষ শতকটি হাঁকাতে গেইল খেলেন মাত্র ৩০টি বল। পুনে ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে ৬৬ বলে ১৩টি চার আর ১৭টি ছয়ে তিনি করেন অপরাজিত ১৭৫ রান।

গত বছর গেইলের ব্যাট থেকে আসে আরও দুটি শতক। ৬০ বলে জ্যামাইকার হয়ে একটি আর অন্য শতকটি আসে লায়ন্সের হয়ে। পরের শতকটি হাঁকাতে গেইল মোকাবেলা করেন ৫১ বল।

এ বছর দুটি শতক হাঁকিয়েছেন গেইল। আইপিএলের আসরে ৪৬ বলে শতক হাঁকিয়ে তিনি ৫৭ বলে ১১৭ রান করেন। আর সর্বশেষ গতকালের একটি ম্যাচে ৬২ বলে ১৫১ রান করে অপরাজিত থাকেন। সর্বশেষ ম্যাচটিতে তিনি ৪৫ বলে কেন্টের বিপক্ষে সমারসেটের হয়ে শতকটি হাঁকান।

গেইলের ১৫টি শতকের মধ্যে ১০টি ম্যাচে জয় পায় তার দল। আর বাকি ৫টি ম্যাচে জয় পায় গেইলের প্রতিপক্ষরা।

১৫টি শতকে গেইল গড়ে খেলেছেন ৪৯টি বল। যেখানে তার স্ট্রাইকরেট গড়ে ২০৭.৭১। গড়ে ১৪টি ম্যাচ খেলে তিনি একটি করে শতক হাঁকিয়েছেন। তবে, ২০১১ আইপিএলের আসরের পর তা কমে হয়েছে ১১টি ম্যাচ। সর্বোচ্চ পাঁচবার ব্যাঙ্গালুরুর হয়ে তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছান তিনি। আর দুইবার বরিশাল বার্নাসের হয়ে শতক হাঁকিয়েছেন এ ক্যারিবীয়ান। তবে, বিপিএলের আসরে তিনি তিনবার শতকের দেখা পেয়েছেন।

গেইলের ১৫টি শতক এসেছে দশটি দলের হয়ে, নয়টি ভিন্ন লিগে আর সাতটি ভিন্ন দেশের মাটিতে। তিন অঙ্কের ঘরে ১৫ বার পৌঁছলেও গেইল সাতবার ৯০ এর ঘরে পৌঁছেন আর এগারোবার ৮০’র উপরে স্কোর করেন।

সর্বশেষ রোববার (৩১ মে) ন্যাটওয়েস্ট টি-টোয়েন্টিতে গেইল সমারসেটের হয়ে ৭৪ মিনিট ক্রিজে ছিলেন। আর তাতে মোকাবেলা করেন ৬২টি বল। অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়ার আগে তার নামের পাশে যোগ হয় ১৫১ রান। যেখানে তিনি ১০টি চারের পাশাপাশি ২৪৩.৫৪ স্ট্রাইকরেটে ১৫টি ছক্কা হাঁকান। আগের ম্যাচে (২৯ মে) তিনি ৫৯ বলে ৯২ রানের ক্যামিও খেলেছিলেন

সর্বশেষ আপডেটঃ ৫:২০ অপরাহ্ণ | জুন ০১, ২০১৫