| বিকাল ৪:৫৬ - মঙ্গলবার - ২৯শে নভেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ - ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ - ৪ঠা জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি

হংকংয়ে ৫ বাংলাদেশীসহ ১৪ পাচারকারী গ্রেপ্তার

অনলাইন  ডেস্ক | ২০ মে ২০১৫, বুধবার,

মানবপাচারের অভিযোগে ৫ বাংলাদেশী সহ পাচারকারী চক্রের ১৪ হোতাকে গ্রেপ্তার করেছে হংকং। এর মধ্যে রয়েছে ৪৫ বছর বয়সী এক বাংলাদেশী ও তার স্ত্রী চিউ চিউ (২৫)। পুলিশ তথ্য তালাশ করে জানিয়েছে, ব্যাংকে এ দ¤পতির জমা রয়েছে ২৮৩৭৮৫ মার্কিন ডলার। রয়েছে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ ও স্বর্ণালংকার। দীর্ঘদিন ধরে এ চক্রটি বাংলাদেশ থেকে অবৈধ পথে শ্রমিক পাচার করে। চিউ ও তার বাংলাদেশী স্বামী এ পাচারকারী চক্রের মূল হোতা বলে দাবি করেছে স্থানীয় পুলিশ। তবে ওই বাংলাদেশীর নাম প্রকাশ করা হয় নি। আজ এ খবর দিয়েছে অনলাইন সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট। পুলিশ সুপার চ্যান টিন-চু জানিয়েছেন, গত ৯ মাসে ২ শতাধিক বাংলাদেশীকে অবৈধপথে হংকং-এ পাচার করেছে এ চক্র। বিনিময়ে প্রতিজনের কাছ থেকে ৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার হংকং ডলার নিয়েছে তারা। প্রথমে বাংলাদেশীদের বিমান পথে চীন নিয়ে যায় তারা। এরপর সেখানে থেকে নৌপথে হংকং নিয়ে যাওয়া হয়। চ্যান বলেন, এ চক্র প্রথমে অবৈধ অভিবাসীদের চীনের ভ্রমন-ভিসা পেতে সাহায্য করে। এরপর সেখান থেকে কুনমিং ও গুয়াংঝো নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাদেরকে হোটেলে রাখে পাচারচক্র। এরপর সেখান থেকেই ¯িপডবোটে করে হংকং-এ নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ধরা পড়লে হংকং-এ আশ্রয় প্রার্থনা করে অভিবাসীরা। তাদেরকে সাময়িকভাবে শহরে থাকতে অনুমতি দেয়া হয়। কিন্তু কাজের অনুমতি থাকে না। এ সময় ওই পাচারকারী চক্র তাদের জন্য বিভিন্ন গৃহস্থালির কাজ জোগাড় করে দেয়।
গত বছরের জুলাইয়ের পর থেকে পুলিশ প্রায় ২২০ জন অবৈধ বাংলাদেশী অভিবাসীকে আটক করেছে। এদের সবাই পুরুষ। পুলিশের বিশ্বাস, তাদেরকে ওই পাচারচক্রই হংকং-এ নিয়ে গিয়েছে। অভিবাসন বিভাগের দেয়া তথ্য মোতাবেক, ২০১৩ সালে হংকং-এ অবৈধ বাংলাদেশী অভিবাসী ছিল ২৭৪ জন। পরের বছর সে সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭৪-এ। এ বছরের প্রথম চার মাসে ৯৫ বাংলাদেশী অবৈধ অভিবাসী আটক হয়েছে। কয়েকমাস ধরে তদন্তের পর পুলিশ ও অভিবাসন কর্মকর্তারা ১২ পুরুষ ও ২ নারীর ওই পাচারকারী চক্রকে আটক করতে সক্ষম হয়। গতবার বেশ কয়েকটি অভিযানে তাদের আটক করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৯:৪৪ অপরাহ্ণ | মে ২০, ২০১৫