| রাত ১:১৪ - রবিবার - ২৭শে নভেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ - ১২ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ - ২রা জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি

অবৈধ অভিবাসীভর্তি বহু নৌকা এখনো সাগরে ভাসছে

অনলাইন ডেস্ক,, ১৬ মে ২০১৫, শনিবার,

থাইল্যান্ডে, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার কাছাকাছি উপকূল ও সাগরে এখনো নৌকায় ভাসছে পাচার হওয়া বহু মানুষ। বলা হচ্ছে, এরা মূলত বাংলাদেশী ও রোহিঙ্গা ইউএনএইচসিআরের একজন কর্মকর্তা জেফরি স্যাভেজ রয়টারকে বলেছেন, সমন্বিত উদ্ধার তৎপরতার কোন লক্ষণই তিনি এখনো দেখতে পাচ্ছেন না।

শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশে প্রায় ৮০০ অভিবাসী তীরে নেমেছে। এ নিয়ে উত্তরপূর্ব মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় আড়াই হাজারেরও বেশি অভিবাসী তীরে নামতে পেরেছে। তবে আরো বহু অভিবাসী এখনো সাগরে ভাসমান নৌকায় রয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার খবর দিয়েছে, মালয়েশিয়ার নৌযানগুলো শনিবারও একটি অভিবাসী-ভর্তি নৌকা তাদের জলসীমা থেকে ফিরিয়ে দিয়েছে। মালয়েশিয়ান একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে রয়টারকে বলেছেন, এই নৌকাটি প্রথম থাইল্যান্ড যাবার চেষ্টা করে তবে থাই নৌবাহিনী দু’বার তাদেরকে ফিরিয়ে দেয়। তবে তারা নৌকার ইঞ্জিনটি মেরামত করে দেয় এবং আরোহীদের খাদ্য, পানি, জ্বালানি তেল ইত্যাদি দিয়ে মালয়েশিয়ার পথ দেখিয়ে সাগরে ছেড়ে দেয়। থাইল্যান্ড-এর ফ্যাং এনগা প্রদেশে একটি দ্বীপে শুক্রবার আরো ১০৬ জন অভিবাসীকে পাওয়া গেছে। সাগরে ভেসে থাকা অনেককে হেলিকপ্টার থেকে খাবার দিলেও তাদের তীরে ভিড়তে দিচ্ছে না ওই অঞ্চলের দেশগুলো। মালয়েশিয়ার সরকার এ সপ্তাহে বলেছে, তারা এসব অভিবাসীদের গ্রহণ করবে না। এর আগে থাইল্যান্ডের মালয়েশিয়া সীমান্তবর্তী জঙ্গলে অবৈধ অভিবাসীদের গণকবর পাওয়া যায়। জানা যাচ্ছে, বাংলাদেশের টেকনাফ উপকূল দিয়ে পাচার হচ্ছে এসব মানুষ।

কোস্টগার্ডের সীমিত পাহারা: মানবপাচার ঠেকানো যাচ্ছে না

টেকনাফ কোস্ট গার্ডের স্টেশন কমাণ্ডার মোহাম্মদ শাহীদ হোসেন চৌধুরী বলেন, সমুদ্রে তীরবর্তী একেকটি বিস্তীর্ণ অঞ্চল পাহারা দেয়ার জন্য যে পরিমাণ নৌযান দরকার – তার অভাব আছে। তাদের কিছু হাই-স্পিড বোট থাকলেও গভীর সমুদ্রে পাহারা দেবার মতো নৌযান এখনো নেই বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, গোয়েন্দা তথ্য ছাড়া তাদের পক্ষে সাগরে ভাসমান সব নৌযান তল্লাশী করাও সম্ভব হয় না। কমান্ডার চৌধুরী জানান, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, বা ইন্দোনেশিয়াতে যে সব নৌকায় অভিবাসী নারী ও শিশুদেরও পাওয়া যাচ্ছে তাদের অধিকাংশই মিয়ানমার থেকে যাওয়া রোহিঙ্গা বলে তারা ধারণা করেন।  অথচ বাংলাদেশের উপকূলে প্রহরায় কাজ করছে নৌ বাহিনী, বর্ডার গার্ড ও কোস্ট গার্ড। এসব বাহিনীর চোখ এড়িয়ে কীভাবে ঘটছে মানবপাচারের ঘটনা, এ প্রশ্নও অনেকে তুলেছেন। কিন্তু এর সাথে কোস্টাগার্ডের কোন সদস্যের যোগসাজশের সম্ভাবনার কথা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন কমান্ডার শাহীদ হোসেন চৌধুরী। -বিবিসি

সর্বশেষ আপডেটঃ ৭:৪২ অপরাহ্ণ | মে ১৬, ২০১৫