| সন্ধ্যা ৭:০৭ - সোমবার - ১৫ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ - ৩১শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ - ১৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি

কটিয়াদী, পাকুন্দিয়ায় নকল বইয়ের ছড়াছড়ি ঃ কর্তৃপক্ষ নির্বাক

বাজিতপুর (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা ঃ
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী, পাকুন্দিয়ার পুলের ঘাট কপিরাইট করে নকল বই দেদারছে বাজারে বিক্রি হচ্ছে। এতে লেখক, প্রকাশক ও বই বিক্রেতারা চরম বিপাকে পড়েছেন। এ যেন দেখার কেউ নেই। জাতির ভবিষ্যৎ শিশুদের মেধা বিকাশের জন্য নকল বই বন্ধ করে শিক্ষার সুস্থ্য পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জোর দাবি উঠেছে সুধি মহলের পক্ষ থেকে সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানাযায়, এক শ্রেণীর অসাধু চক্র নিন্মমানের কাগজ ব্যবহার করে বাজারে সবচেয়ে বেশি চলমান বই কপিরাইট করে অবিকল নকল বই স্বল্প মূল্যে বাজারজাত করছেন।দেখতে একই রকম হলেও মূল বইয়ের পাবলিসিটি দিয়েই নকল বই দেদারছে বিক্রি হচ্ছে। এতে বই লেখক ও প্রকাশকের কষ্টে অর্জিত মূল বই বাজারজাত করতে পারছে না। তাছাড়া, মূল বইয়ের মূল্য আর নকল বইয়ের মূল্য নিয়ে সাধারণ মানুষ বই কিনতে গিয়ে লাইব্রেরীতে বিভ্রান্তিকর অবস্থায় পড়তে হচ্ছে। কারণ হিসেবে জানাযায়, দুরবার কমপজিসান (রাইটিংপাঠ) মূল বইটির নির্ধারীত মূল্যের চেয়ে অর্ধেক মূল্যে নকল বই বাজারজাত করছে। ফলে মূল বই বিক্রি করে অনেক ব্যবসায়ী জনগনের চাপের মূখে পড়তে হচ্ছে। কেননা মূল বইয়ের দামের চেয়ে ৫০ টাকা কমে নকল বই দেদারছে পাওয়া যাচ্ছে। এতে করে বই ব্যবসায়ীরা বাধ্য হয়েই মূল বই বাদ দিয়ে নকল বই বাজারজাত করছেন। ফলে অসাধু চক্রের লোকজন আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে গেছে।
গত বুধবার ২৯ এপ্রিল পাকুন্দিয়ার উপজেলার পুলের ঘাট তানিয়া লাাইব্রেরী স্বত্বাধীকারী কাইরম্নল ইসলাম, কটিয়াদী বাজারের ইত্যাদি লাইব্রেলীর হিমু মিয়া দুরবার কমপজিসান (রাইটিংপাঠ) বইয়ের লেখক ও প্রকাশক পুলিশের সহায়তায় বাজার মনিটরিং এসে নকল বই জব্ধ করলেও বই নকলের মূল হোতা ধরা ছোয়ার বাইয়ের থেকে যায়। সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহকালে ছাত্রশখা লাইব্রেরীর মালিক মোঃ ফুল মিয়া,মাসুদ মিয়াসহ অনেকে জানান, দীর্ঘ দিন যাবৎ একটি চক্র বাজারে সবচেয়ে বেশি চলমান বই কপিরাইট করে নিন্মমানের কাগজ দিয়ে কম মূল্যে নকল বই বাজারজাত করছে। ফলে মূল বইয়ের পাইকারী দামের চেয়ে ৫০ টাকা কমে নকল বই অন্যরা বিক্রি করায় ক্রেতাদের চাপের মূখে পড়তে হচ্ছে তাদের।এতে বাধ্য হয়ে ভাউচার বিহীন নকল বই তাদের বিক্রি করতে হচ্ছে। এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিড়্গা অফিসার বেগম বদরম্নন্নাহার ইয়াসমিন জানান, বাজারে নকল বই বিক্রির বিষয়ে অবগত থাকলেও এসব বন্ধ করার বিষয়ে কোন নির্দেশনা না থাকায় কিছুই করার নেই বলেও মনত্মব্য করেন তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৫:৪৪ অপরাহ্ণ | এপ্রিল ৩০, ২০১৫