| রাত ৪:৫৩ - বৃহস্পতিবার - ৮ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ - ২৩শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ - ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি

ময়মনসিংহ সিভিল সার্জনের তথ্য বিভ্রাটের অভিযোগ

লোক লোকান্তর ডেস্কঃ  করোনা বির্পযয়ে ময়মনসিংহ জেলা সিভিল সার্জন ডা. এ বি এম মশিউল আলমের দেয়া তথ্যে অসামনজস্যতার অভিযোগ উঠেছে। বিভাগীয় জেলা ময়মনসিংহের মতো জায়গায় জেলা প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তার এমন তথ্যে বিভ্রাট হবে তা অনাকাঙ্খিত।

 

গত ৯ জুন জেলা সিভিল সার্জনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক পেজে দেয়া তথ্য অসামনজস্যতায় ময়মনসিংহের বিভিন্ন মহলে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

 

ঐ দিন তাঁর পেজে প্রথমেই প্রতিদিনের মত তথ্য লেখা হলেও কমেন্টে বাক্য বিনিময়ের পর স্ট্যাটাস পরিবর্তন করে লেখা রয়েছে, ‘ এই রির্পোট জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের অফিসিয়াল রির্পোট। এটা গ্রহণ করা না করা আপনার একান্ত নিজস্ব ব্যাপার।’

 

ঐদিন ভালুকায় করোনা শনাক্তের সংখ্যা দেখানো হয়েছে ৩৫ জন, কিন্তু ভালুকার দায়িত্বপ্রাপ্ত এক কর্মকর্তা বলছেন ৪৪ জন শনাক্ত হয়েছেন। এনিয়ে ভালুকার ঐ কর্মকর্তাকে তিনি বললেন, আমি যা দিয়েছি তাই সঠিক। আর ঐ কর্মকর্তাকে  স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বলে তার জানা নেই।

 

পরে ভালুকার ঐ কর্মকর্তা এর উত্তরে সিভিল সার্জনকে জানান, একজন উপজেলার দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে উপজেলার সকল বিষয় দেখতে হয়। আপনার পেজে সকল তথ্য আরও ডিটেইলস থাকলে সব তথ্যই পাওয়া যেতো।

 

এরকম বাকবিতন্ডার পর জেলা সিভিল সার্জন ঐ পোস্ট থেকে কমেন্ট গুল মুছে ফেলেন।

 

এছাড়া ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের মাইক্রো বায়োলজীর বিভাগের শিক্ষার্থী যারা নিয়মিত করোনা পরীক্ষার রির্পোট প্রকাশ করে আসছেন, তারাও ঐ দিন ভালুকায় ৪৪ জন শনাক্ত হয়েছেন বলে উল্লেখ করেন।

 

তাহলে জনমনে প্রশ্ন এমন বিভ্রান্ত তথ্য দিয়ে কি বোঝাতে চাচ্ছেন জেলার দায়িত্বশীল পদে থাকা সিভিল সার্জন। তাহলে কি আগেও এমন বিভ্রান্ত তথ্য পরিবেশন হয়েছে।

 

এমনকি ঐদিন ময়মনসিংহ সিভিল সার্জন প্রকাশ করেন ময়মনসিংহে ৬৮,  নেত্রকোনায় ৪, জামালপুরে ৬, শেরপুরে ১৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়। কিন্তু বিভাগীয় পরিচালকের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে, ঐ দিন ময়মনসিংহ বিভাগের ময়মনসিংহে ৬৮, নেত্রকোনায় ২, জামালপুরে ১১, শেরপুরে ১৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

 

একদিকে যেমন তথ্যের হেরফের, অন্যদিকে একজন জেলা সিভিল সার্জন হয়ে সে বিভাগের তথ্য পরিবেশন করছেন কিভাবে এ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে। তবে বিভাগীয় কর্মকর্তা কেনো রয়েছেন, তবে কি জেলা সিভিল সার্জনকেই সকল দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

 

একজন দায়িত্বশীল পদে থেকে তিনি অযোগ্যতা ও দুরদর্শিতার অভাব প্রমান করেছেন। এমন তথ্য আগামীতে পরিবেশন হলে  ময়মনসিংহবাসি’র হতাশা আরও বাড়বে।

 

ফাইল ছবি

সর্বশেষ আপডেটঃ ৯:১০ অপরাহ্ণ | জুন ১৩, ২০২০