| রাত ১২:১৮ - রবিবার - ১৪ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ - ১লা বৈশাখ, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ - ৪ঠা শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি

ময়মনসিংহের ত্রিশালে জনস্বাস্থ্য বিভাগের জমি দখলমুক্ত

ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ১১ শতাংশ জমি দখল করে নিয়েছে বইলর ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল।

 

স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ উদ্ধার করতে গেলে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে বাকবিতন্ডা ও কর্মকর্তাদের হুমকি দেন ওই প্রভাবশালী আওয়ামীলীগ সমর্থিত ইউপি চেয়ারম্যান।

 

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তর সুত্রে জানাযায়, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের উপজেলা শাখা অফিস নির্মানের জন্য ১৯৯৪ সালের ডিসেম্বর মাসে ৩০ শতাংশ জমি অধিগ্রহন করা হয়। সীমানার পাশে থাকা ইউপি চেয়ারম্যান মুকুল তার বাসা নির্মান করে ধীরে ধীরে সরকারী জমি দখল করতে থাকে।

 

বিষয়টি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিভিন্ন সময় তাকে চিঠি ও মৌখিক ভাবে বাধা দিলে চেয়ারম্যান তাদের সাথে অসাদাচরণ করেন এবং স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় জমি দখল করতে থাকে।

 

শনিবার সকালে ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে সড়ক ও জনপদের ও জনস্বাস্থ্য জায়গা দখল করে বিল্ডিং নির্মান করতে গেলে স্থানীয় প্রশাসন বাধা দেয়। এসময় মুকুল চেয়ারম্যান পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের দুর্ব্যবহার করে।

 

খবর পেয়ে ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু জাফর রিপন ও ওসি জাকিউর রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ এবং প্রকৌশল বিভাগকে তাদের সীমানার ভিতরে থাকা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেন।

 

উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী কর্মকর্তা মুনসুর আহমদে খান বলেন, আমাদের ৩০ শতাংশ জমির প্রায় ১১ শতাংশ জমি অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল।

 

আমরা বারবার নিষেধ করা সত্বেও স্থানীয় প্রভাব ও গুন্ডাপান্ডা দিয়ে এ জমি দখল করে রেখেছে। আমরা বাধা দিলে আমাদের হুমকি প্রদান ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে চেয়ারম্যান। দীর্ঘ ৭ বছর যাবত আমরা থানা ও প্রশাসনিক উধ্বর্তন কর্মকর্তা বরাবর চিঠি দিয়ে বহুবার অবগত করেছি।
ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান মুকুলকে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

 

ওসি জাকিউর রহমান জানান, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলের জমিতে মুকুল চেয়ারম্যান অবৈধ স্থাপনা নির্মান করতে চাইলে আমরা নির্মান কাজ বন্ধ করে দেই।

 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আবুজাফর রিপন জানান, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের কিছু জায়গা চেয়ারম্যান দখল করে রেখেছে। শনিবার আবারও নতুন করে বিল্ডিং নির্মান করতে গেলে আমরা কাজে বাধা প্রদান করি। উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৬:৪৮ অপরাহ্ণ | নভেম্বর ১৮, ২০১৭