| বিকাল ৩:৫১ - সোমবার - ২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ - ৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ - ১১ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি

কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় উপ-প্রধান প্রকৌশলীকে মারধর, প্রতিবাদে প্রশাসনিক ভবনে তালা

ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি, ২৮ এপ্রিল ২০১৬, বৃহস্পতিবার
ময়মনসিংহের ত্রিশালে অবসি’ত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-প্রধান প্রকৌশলীকে মারধর করেছে নাট্যকলা ভিবাগের সহকারী অধ্যাপকসহ কয়েকজন শিক্ষক। এ ঘটনায় প্রশাসনিক ভবনে তালা লাগিয়ে দিয়েছে প্রশাসনিক ভবনের কর্মকর্তা কর্মচারীরা এবং কর্তৃপৰের কাছে বিচারের দাবী জানিয়েছেন তারা।
জানাযায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের থাকার কোয়াটার হিসেবে নব নির্মিত ডরমেটরীর সামনের রাস্তা পাকা করে দেওয়ার জন্য উপ প্রধান প্রকৌশলী মাহবুবুল ইসলামের কাছে কিছুদিন আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রুহুল আমিনের নেতৃত্বে কয়েকজন শিক্ষক দাবী জানান।
গতকাল বৃহস্প্রতিবার সাড়ে ৩টার দিকে র্বহুল আমিনের নেতৃতে কয়েকজন শিক্ষক উপ প্রধান প্রকৌশলীর কক্ষে গিয়ে রাস্তা হবে কিনা তা জানতে চান। এ সময় উপ-প্রধান প্রকৌশলী রাস্তাটি নিয়ে এখনো পৱান করা হয়নি জানালে মাহবুবুল ইসলামের সাথে শিৰকদের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে শিক্ষক র্বহুল আমিন, মাসুম হাওলাদার, রকিবুল ইসলাম, দাবিড় শৈকত ও মেহেদী উলৱাহ উপ প্রধান প্রকৌশলী মাহবুবুল ইসলামকে মারধর করে। টের পেয়ে প্রশাসনিক ভবনের অন্যান্য কর্মকর্তারা এসে তাকে উদ্বার করে। এই ঘটনার পর পরই বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা পরিষদ উপ প্রধান প্রকৌশলীকে মারধরের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কতৃপৰের কাছে অবিলম্ভে বিচার দাবী করেন।
এ সময় প্রশাসনিক ভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভবনের মূল ফটকে তালা লাগিয়ে দেয় এবং উপাচার্যের অনুপসি’তিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ট্রেজারার প্রফেসর এ.এম.এম শামসুর রহমানের কাছে বিচার দাবী করেন। ট্রেজারার প্রফেসর এ.এম.এম শামসুর রহমানের বিচারের আশ্বাসে প্রশাসনিক ভবনের মূল ফটকের তালা খুলে দেওয়া হয়।
জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রুহুল আমিন জানান, ডরমেটরী রাস্তা ঠিক করার কথা বললেও প্রকৌশলী কাজ না করা এবং আমার সাথে খারাপ আচরন করার কারনে শিক্ষকরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে মারধর করে। অবশ্য এটা ভুল বুঝাবুঝি ছিল।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-প্রধান প্রকৌশলী মাহবুবুল ইসলাম বিষয়টি এরিয়ে গেলেও প্রকৌশল বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, আমরা প্রশাসনিক ভবনে যারা কাজ করি সবসময় তাদের নিরাপত্তা হীনতায় কাজ করতে হয়। বিভিন্ন সময আমাদের লাঞ্চিত করে প্রতিবাদ করলে ছাত্রদের দিয়ে আন্দোলন শুরু করে দেয়। আমরা বিচারের দাবীতে আন্দোলন করব।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর এ.এম.এম শামসুর রহমান জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার হাবিবুর রহমান বলেন, আমি ঘটনার সময় প্রশাসনিক ভবনেই ছিলাম শুনার পরে দুপক্ষকে ঢেকে সমঝোতা করে দিয়েছি। দুজনই যুবক বয়সের হওয়ার কারনেই তুচ্ছ ঘটনা ঘটেছে।
তবে এই রিপোট লেখা পর্যন্ত কর্মকর্তা ও শিক্ষকদের নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষের আলাদা আলাদা বৈঠক চলছিল। পরে বিকেলে শিৰক র্বহুল আমীন সহ শিক্ষকদের পক্ষে ক্যাম্পাসে মিছিল করেছে শিক্ষার্থীরা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৮:৪২ অপরাহ্ণ | এপ্রিল ২৮, ২০১৬