| রাত ৯:৫৫ - বুধবার - ২৪শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ - ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ - ১৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

বোরধানের বাম্পার ফলনেও কৃষকের মুখে হাসি নেই

সাজ্জাতুল ইসলাম সাজ্জাত, গৌরীপুর (ময়মনসিংহ), ২১ এপ্রিল ২০১৬, বৃহস্পতিবার,
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে বোরধানের বাম্পার ফলন হলেও দরপতনে এবার কৃষকের মুখের হাসি মৱান হয়ে গেছে। বর্তমানে উপজেলার সর্বত্র ইরি-বোর ধান কাটার ধূম পড়েছে। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কৃষক, কৃষানী থেকে শুর্ব করে শিশু, কিশোর, বৃদ্ধ সহ সকল কৃষক ধান গোছানোর কাজে ব্যস্ত। আশাতীত ফলনে একদিকে কৃষকদের উলৱাস অন্যদিকে ধানের সঠিক মূল্য না পাওয়ায় তাদের মুখের হাসি মৱান হতে চলেছে। কারণ কৃষি উপকরণ ও সকল কৃষি পণ্য চড়া দামে ক্রয় করে ধান উৎপাদন শেষে ধানের বাজার মূল্য নিন্ম মূখী হওয়ায় চাষীরা আজ হতাশা গ্রস’। তার পরে পাওনাদারের দেনা পরিশোধ করতে হিমশিম খেয়ে যাচ্ছে। একদিকে কৃষি পণ্য চড়া দামে ক্রয় করে পাওনাদারের ঋনের ভারী বোঝা মাথায় থাকা অপর দিকে পাওনাদারের হাল খাতার রঙিন চিঠি, সব মিলিয়ে যেন কৃষকরা এখন মহা যন্ত্রণায় জীপন যাপন করছেন।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবার উপজেলায় ২০হাজার ৯৭০ হেক্টর জমিতে বোরধানের আবাদ করা হয়েছে। যাতে প্রায় ৮৪ হাজার মেট্রিক টন চাল উৎপাদন হবে। এদিকে চাষী পর্যায়ে উন্নতমানের বীজধান উৎপাদনে বাম্পার ফলন হয়েছে।
এবার ব্রি-২৮ জাতের ধান এখন বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৪৮০ টাকা থেকে ৫২০ টাকায়। মোটাজাতের ধান বিক্রি হচ্ছে আরো কম দামে। এ ব্যাপারে চুড়ালী গ্রামের কৃষক র্বপ খা বলেন, জমিতে সার, কীটনাশক, পানি খরচ ও মজুরি সহ সব কিছু মিলিয়ে বিঘা প্রতি লোকসান হবে এক হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা। সাতুতী গ্রামের আরেক চাষী আজিজুল হক জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর ধানের বাম্পার ফলন হলেও বাজারে ধানের দাম কম হওয়ায় সমস্ত খরচ বাদে লোকসান হবে। দেশের ৮৫ ভাগ মানুষ কৃষক, তাই কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। এ ব্যাপারে কৃষকরা যাতে ধানের ন্যায্য মূল্য পাই তার জন্য সংশিৱষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। #

সর্বশেষ আপডেটঃ ৭:০৪ অপরাহ্ণ | এপ্রিল ২১, ২০১৬