| বিকাল ৩:২১ - বুধবার - ২৪শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ - ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ - ১৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

শেরপুরের ইউনিয়ন নির্বাচনে নকলায় আ’ লীগের একচ্ছত্র আধিপত্য: শ্রীবরদীতে বিপর্যয় : পরস্পরকে দোষারোপ

শেরপুর প্রতিনিধি:৩ এপ্রিল ২০১৬, রবিবার,

১ মার্চ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে শেরপুরের নকলা উপজেলার নয়টি ইউনিয়নের সবগুলোয় আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন। অপরদিকে শ্রীবরদী উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে মাত্র দুটিতে আ. লীগের প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়া দুটিতে বিএনপি ও দুটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়লাভ করেছেন। প্রার্থী মনোনয়ন যথাযথ না হওয়ায় এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের লৰ্যে প্রশাসনের কঠোর মনোভাবের কারণে চারটিতে আ. লীগের প্রার্থী পরাজিত হয়েছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। এ নিয়ে স’ানীয় সংসদ সদস্য ও দলীয় নেতৃবৃন্দ পরস্পরকে দোষারোপ করেছেন। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চেয়ারম্যান পদে নকলা উপজেলার গণপদ্দি ইউনিয়নে শামছুর রহমান আবুল (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়), নকলা সদরে আনিসুর রহমান, উরফায় রেজাউল হক, গৌড়দ্বারে শওকত হোসেন খান, বানেশ্বরদীতে মাজহার্বল আনোয়ার, পাঠাকাটায় মোহাম্মদ ফয়েজ মিলৱাত, টালকীতে মো. বদর্বজ্জামান, চরঅষ্টধরে গোলাম রাব্বানী ও চন্দ্রকোনা ইউনিয়নে সাজু সাইদ সিদ্দিকী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এঁরা সবাই আওয়ামী লীগের প্রার্থী। কয়েকটি কেন্দ্রে জাল ভোট দেওয়ার অভিযোগ ছাড়া প্রায় শান্তিপূর্ণভাবে এসব ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
অপরদিকে শ্রীবরদী উপজেলার খড়িয়া কাজিরচর ও শ্রীবরদী সদর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের যথাক্রমে এ.ডি.এম শহিদুল ইসলাম ও মো. আব্দুল হালিম, কুড়িকাহনীয়া ও গড়জরিপা ইউনিয়নে বিএনপির যথাক্রমে নূরে আলম ও আবুল কালাম আজাদ এবং সিংগাবর্বণা ও কাকিলাকুড়া ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুর রাজ্জাক ও হামিদুলৱাহ তালুকদার নির্বাচিত হয়েছেন। অর্থাৎ ছয়টি ইউনিয়নের মধ্যে মাত্র দুটিতে আ. লীগের প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। দলের এ বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে প্রার্থী মনোনয়ন যথাযথ হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন স’ানীয় সংসদ সদস্য (ঝিনাইগাতী-শ্রীবরদী) প্রকৌশলী এ.কে.এম ফজলুল হক। তিনি বলেন, শ্রীবরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের স’ানীয় নেতৃবৃন্দ মনোনয়ন বাণিজ্যের মাধ্যমে যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীকে মনোনয়ন দেননি। ফলে শ্রীবরদীর চারটি ইউনিয়নেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী পরাজিত হয়েছেন। সংসদ সদস্যের অভিযোগ অস্বীকার করে শ্রীবরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মোতাহার্বল ইসলাম বলেন, মনোনয়ন বাণিজ্যের প্রশ্নই ওঠে না। যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। কিন’ দলের ইমেজ ৰুন্ন করার জন্য প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তার করে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর পৰে এবং আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের বিপৰে সংসদ সদস্য ফজলুল হকের কর্মকান্ডের জন্যই আ. লীগের চার প্রার্থী পরাজিত হয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৮:৫৩ অপরাহ্ণ | এপ্রিল ০৩, ২০১৬