| রাত ৮:৪৫ - রবিবার - ১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ - ২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ - ৯ই জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি

শ্রীবরদী থানায় লাশ ঘর নির্মাণ

শ্রীবরদী প্রতিনিধিঃ  ১৫ মার্চ ২০১৬, মঙ্গলবার,
শেরপুরের শ্রীবরদী থানায় বিভিন্ন ঘটনায় উদ্ধারকৃত লাশ সংরক্ষণ ও নিরাপত্তার লক্ষ্যে লাশ ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস.আলম। জানা যায়, উপজেলায় সড়ক দূর্ঘটনা, হত্যা, খুন, আত্নহত্যা ও অজ্ঞাত ব্যক্তিদের লাশ বিভিন্ন সময়ে উদ্ধার করে থানায় আনে পুলিশ। কিন’ দীর্ঘদিনেও থানায় লাশ রাখার জন্য কোন ঘর বা নির্দিষ্ট জায়গা না থাকায় রোদ-বৃষ্টি প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুহুর্তে খোলা আকাশের নিচেই ভ্যানগাড়িতে লাশ রাখা হয়ে থাকে। ফলে অনেক সময় লাশগুলো নষ্ট হয়ে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। লাশের স্বজনরা এ বিষয়ে নানা আপত্তি করলেও পুলিশের পক্ষে লাশ সংরক্ষনের কোন ব্যবস’া করা সম্ভব হয় না। আবার অনেক সময় আলোচিত হত্যাকান্ডের লাশের নিরাপত্তা প্রদানে পুলিশকে হিমশিম খেতে হয়। দিনরাত পুলিশকে লাশ পাহারা দিতে হয়। বিষয়টি শ্রীবরদীতে যোগদান করেই ওসি এস.আলমের নজরে আসে। এক পর্যায়ে বিভিন্ন সময়ে তিনি লাশ ঘর নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। কিন’ আর্থিক কারনে তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে নিজ বেতনের একটি অংশের টাকা দিয়ে তিনি লাশ ঘর নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এ প্রসঙ্গে ওসি এস.আলমের দৃষ্টি আকর্ষন করা হলে তিনি বলেন, মূলত মানবিক দিক থেকেই লাশ ঘর নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি। প্রায় সময়ই আমরা বিভিন্ন ঘটনায় লাশ উদ্ধার করলেও তা নিরাপত্তা বা সংরক্ষনের জন্য আমাদের থানায় কোন নির্দিষ্ট জায়গা বা ঘর নেই। তাই আমি লাশ ঘর নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি। মুক্তিযোদ্ধের আদর্শে উজ্জেবিত পরিবারের সদস্য ও আদর্শবান বাবার সন-ান হওয়ায় দেশ ও মানুষের কাছে আমার দায়বদ্ধতা রয়েছে। আর এই দায়বদ্ধতা থেকেই আমি এমন উদ্যোগ গ্রহণ করি। উল্লেখ্য ওসি এস.আলম শ্রীবরদীতে যোগদান করেই থানার কাজে ব্যবহৃত সরকারি গাড়ি ও অফিসারদের ব্যবহৃত মটর সাইকেল রাখার জন্য কোন গ্যারেজ না থাকাই ব্যক্তি উদ্যোগে স’ানীয় দানশীল ব্যক্তিদের সহায়তায় থানা চত্ত্বরে লক্ষ টাকা ব্যয়ে একটি গ্যারেজ তৈরী করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৫:১৩ অপরাহ্ণ | মার্চ ১৫, ২০১৬