| বিকাল ৩:৫৪ - সোমবার - ৪ঠা ডিসেম্বর, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ - ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ - ১৯শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৫ হিজরি

প্রধান শিক্ষক বটে!

গফরগাঁও প্রতিনিধি ঃ ৯ মার্চ ২০১৬, বুধবার,
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে এক অভিভাবক তার ছেলেকে চরমছলন্দ দরগাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি না করায় ওই অভিভাবকের বাড়িতে হামলা, ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষক বেলাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে। এ সময় হামলাকারীদের লাঠির আঘাতে শিশুসহ ৪জন আহত হয়।
জানা যায়, উপজেলার মাইজপাড়া গ্রামের নূর্বল হকের ছেলে রাইফুল ইসলাম সম্প্রতি প্রাথমিক সমাপনীতে উত্তীর্ণ হয়। পরে প্রতিবেশি চরমছলন্দ দরগাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বেলাল উদ্দিন রাইফুলকে তার বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি করতে বলেন। কিন’ এ বিদ্যালয়ের লেখাপড়ার মান নিন্মমুখী হওয়ায় ওই বিদ্যালয়ে ভর্তি না করে চরমছলন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ে ছেলেকে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি করান নূর্বল হক। ওই প্রধান শিক্ষক তার আগেও নূরুল হকের বড় ছেলে চরমছলন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীৰার্থী জাকিরুলকে তার বিদ্যালয়ে ভর্তি করতে বলেছিলেন। এর জের ধরে গত শুক্রবার বিকালে প্রধান শিক্ষক বেলাল উদ্দিন ও পালন মেম্বারের নেতৃত্বে অভিভাবক নূর্বল হকের বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর করে। বাধা দেয়ায় নূর্বল হকের স্ত্রী খালেদা আক্তার, ভাতিজি নাছিমা ও ছেলে জাকির্বলকে মারধর করে। পরে প্রতিবেশিরা তাদের উদ্ধার করে গফরগাঁও উপজেলা স্বাস’্যকমপেৱক্সে ভর্তি করে।
প্রতিবেশি অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য এমদাদুল হক আকন্দ বলেন, ভাই সকল অভিভাবকেই চান তার ছেলে-মেয়েদেরকে ভাল বিদ্যালয়ে পড়াশুনা করাতে। বিদ্যালয়ে ভর্তি করা নিয়ে এদেরকে এভাবে পিটিয়ে আহত করা ঠিক হয়নি।
দরগাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বেলাল উদ্দিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ওইদিন নূর্বল হকের ছেলে জাকির্বল আমার বাবাকে গালাগালি করায় আমি ও আমার বাবা ওই ছেলেকে লাঠি দিয়ে দৌড়াইয়া একটু ভয় দেখাই। বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীর অভাব নেই। তার ছেলেকে ভর্তি করতে বলার প্রশ্নই আসে না।
গফরগাঁও থানার ওসি তোফাজ্জেল হোসেন বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস’া নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৫:৫৪ অপরাহ্ণ | মার্চ ০৯, ২০১৬