| রাত ১:৩৪ - বৃহস্পতিবার - ১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ - ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ - ৬ই জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি

দ্রুত পৌর সীমানার বাইরে খালগুলো খননের ব্যবস্থা না নিলে কঠিন জলাবদ্ধতার সম্মুখীন হবে পৌরবাসী

স্টাফ রিপোর্টার | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, মঙ্গলবার,

 ঐতিহ্যবাহী ময়মনসিংহ পৌরসভার এলাকাগুলো অল্প বৃষ্টিতেই পানিবন্দী ও জলাবদ্ধতার মূল কারণ পৌরসভার সীমানার বাহিরের অংশগুলো বাধাগ্রসত্ম ও ভরাট হয়ে পানি নিষ্কাশন বিঘ্নিত হওয়ার ফলে শহরবাসীকে জলাবদ্ধতায় পতিত হতে হয়।
পৌর এলাকার জলাবদ্ধতার নিরসনে ময়মনসিংহ পৌরসভার উদ্যোগে পৌর নগরীর খাল ও ড্রেন গুলোর খনন কাজ অব্যাহত রয়েছে। কিন্ত পৌরসভার ভিতরের খালগুলো খনন ও পরিষ্কার করলেও নগরীর সীমানার বাহিরের খালগুলো যদি খনন ও পরিষ্কার না করা হয়, তাতে কোন কাজে আসবে না। নগরবাসীকে জলাবদ্ধতায় থাকতে হবে বলে সচেতন মহলের দাবী।DSCN8462
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে , আসন্ন বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে পৌরসভার উদ্যোগে জলাবদ্ধতা নিরসনের লড়্গ্যে পৌরসভার ভিতরের খাল ও ড্রেন গুলোর খনন কাজ অব্যাহত থাকলেও সদর উপজেলার আকুয়া ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে বাইপাস এলাকা হয়ে চরাবিলের মধ্য দিয়ে সুতিয়া নদীতে প্রবাহিত হয়। আরেকটি অংশের আকুয়া চুকাইতলা হতে ফুলবাড়িয়া রোডের ব্রিজের নিচে বছরের পর বছর ভরাট হয়ে থাকলেও তা খননের জন্য কোন উদ্যোগ নেয়নি। যার ফলে অল্প বৃষ্টিতেই পৌর এলাকায় দীর্ঘস’ায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। শহরের পানি নিষ্কাশনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী সেহড়া ও মাকরজানী খালের পৌর এলাকার বাহিরের অংশ খনন ও পরিষ্কারের জন্য গত ২৭ জানুয়ারী পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ,কে,এম তারিকুল আলম সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে চিঠি প্রেরণ করেন।
বর্ষাকালে বৃষ্টির পানি নিষ্কাসনের লড়্গ্যে ও জলাবদ্ধতা নিরসনে পৌর এলাকার অভ্যনত্মরে ড্রেন ও খালের খনন, পরিষ্কার কর্মসূচী অব্যাহত থাকলেও পৌর এলাকার সীমানার বাহিরের খালগুলো অপরিষ্কার ও ভরাট থাকায় তা খনন ও পরিষ্কারের জন্য ময়মনসিংহ পৌরসভার জননন্দিত মেয়র মো: ইকরামুল হক টিটু জেলা প্রশাসক বরাবর একটি চিঠি প্রেরণ করেন। সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও জেলা প্রশাসককে চিঠি দিয়েও জনস্বার্থে নবগঠিত বিভাগীয় শহরের জলাবদ্ধতার নিরসনে যথাযথ কর্তৃপড়্গ জরম্নরী ভিত্তিতে পদড়্গেপ না নিলে দীর্ঘস’ায়ী জলাবদ্ধতায় শহরবাসীর দূর্ভোগ পোহাতে হবে।
এ বিষয়ে এ প্রতিনিধিকে মেয়র মো: ইকরামুল হক টিটু জানান , প্রশাসনিক জটিলতার কারণে শহরবাসী জলাবদ্ধতার দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কিন’ পৌরসভার খালগুলোর ভিতরের অংশ খনন ও পরিষ্কার করলেও যদি পৌর সীমানার বাহিরের অংশ খনন ও পরিষ্কার না করলে কঠিন ও দীর্ঘস’ায়ী জলাবদ্ধতার দূর্ভোগ পোহাতে হবে পৌরবাসীকে। আশাকরি অতি দ্রম্নত পৌর সীমানার খাল গুলোর বাহিরের অংশগুলো খননের লড়্গ্যে ব্যবস’া নিবে কর্তৃপড়্গ। মঙ্গলবার দুপুরে পৌর সীমানার বাহিরের আকুয়া খালে গিয়ে দেখা গেছে দীর্ঘদিন যাবত খালটিতে আবর্জনার সত্মুপ ও পলি ভরাট হয়ে পানি নিষ্কাসনে বাধাগ্রসত্ম হয়ে থাকায় পৌরসভার লেবাররা কাজ করতেও বাধার সম্মুখীন হচ্ছে। এ সময় পৌরসভার সেনেটারী ইন্সপেক্টর দীপক মজুমদার, কনজারভেন্সী ইন্সপেক্টর মহব্বত আলী, সুপারভাইজার রবি ঢালি, সুরম্নজ আলী, মোসত্মাক হোসেন সহ প্রমুখ উপসি’ত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৮:০২ অপরাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৬