| দুপুর ২:৩৭ - রবিবার - ২৩শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ - ৯ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ - ১৬ই জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি

মন্ত্রিসভায় প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান নীতি-২০১৬ খসড়া অনুমোদন

 ঢাকা, ২৫ জানুয়ারি, ২০১৬ (বাসস) : মন্ত্রিসভায় আজ প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান নীতি-২০১৬ খসড়া অনুমোদিত হয়েছে। এতে নিরাপদ অভিবাসন এবং অভিবাসী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ ৬ দফা নির্দেশনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্বে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত সাপ্তাহিক বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, ২০০৬ সালে এ সম্পর্কিত বিদ্যমান সংক্ষিপ্ত নীতি সংশোধন করে অভিবাসনের ওপর আন্তর্জাতিক আইনের আলোকে এই খসড়া নীতি প্রণীত হয়েছে। তিনি বলেন, এই নীতিতে ৬টি নির্দেশনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এতে নিরাপদ অভিবাসন উৎসাহিত, অভিবাসী শ্রমিক ও তাদের পরিবারের সদসদের নিরাপত্তা, অভিবাসী শ্রমিক দের সুযোগ-সুবিধা ও কল্যাণ নিশ্চিত করা, নারী শ্রমিকদের অভিবাসন, জাতীয় উন্নয়নের সাথে অভিবাসনকে সম্পৃক্ত করা এবং শ্রমিক অভিবাসনে যথাযথ পরিকল্পনার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।
সচিব বলেন, এই নতুন নীতিতে অভিবাসী শ্রমিকদের যথাযথ কল্যাণ, সুযোগ-সুবিধা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অর্থ, পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র, বাণিজ্য এবং বেসামরিক ও পর্যটন মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের জন্য সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। এ প্রসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এই নীতিতে বিভিন্ন দেশে অভিবাসী নারী শ্রমিকদের নিরাপত্তায় সুনির্দিষ্ট অধ্যায় রয়েছে। এর আওতায় অভিবাসন প্রক্রিয়াকে জোরদার করতে সরকার বিদেশে যেতে আগ্রহী নারী শ্রমিক, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা, ট্রেড ইউনিয়ন, রিক্রুটিং এজেন্সি, নিয়োগদাতা ও সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমন্বিত ও অংশগ্রহণমূলক কর্মসূচি নেবে। শফিউল আলম বলেন, বৈঠকে বাংলাদেশ ও তুরস্কের দু’দেশের সেনাবাহিনীর স্বাস্থ্যসেবা খাতে প্রশিক্ষণ ও সহযোগিতা সম্পর্কিত খসড়া প্রটোকলের অনুমোদন দেয়া হয়। এই প্রটোকল স্বাক্ষরের ফলে ভ্রাতৃপ্রতীম দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো সুসংহত হবে। এছাড়া বৈঠকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ইউএন-এ্যাস্কাপের ‘ইন্টার গভর্নমেন্টাল এগ্রিমেন্ট অন ড্রাই পোর্ট’ শীর্ষক প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়। এই উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশকে এশিয়ান হাইওয়ে নেটওয়ার্ক এবং ট্রান্স এশিয়া রেলওয়ে নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত করা সম্ভব হবে। মন্ত্রীবর্গ ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রীবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট সচিবগণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৯:০৫ অপরাহ্ণ | জানুয়ারি ২৫, ২০১৬