| সকাল ৬:৫৪ - মঙ্গলবার - ৯ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ - ২৫শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ - ১০ই মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বিষপানে কলেজ ছাত্রের আত্মহত্যা

শেরপুর প্রতিনিধি: ১৭ অক্টোবর ২০১৫, শনিবার,
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বাবা-মার সাথে অভিমান করে অরবিন্দু চন্দ্র বর্মণ (১৭) নামে এক কলেজ ছাত্রের বিষপানে আত্মহত্যার সংবাদ পাওয়া গেছে। সে ঝিনাইগাতী উপজেলা সদরের ঘোষগাঁও গ্রামের রত্নেশ্বর চন্দ্র বর্মণের জ্যেষ্ঠ ছেলে এবং আলহাজ্ব শফিউদ্দিন আহাম্মদ ডিগ্রি কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিল। আজ ১৭ অক্টোবর শনিবার দুপুরে গারো পাহাড়ের গজনী অবকাশ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অরবিন্দের বাবা রত্নেশ্বর ও মা সঞ্জিতা রাণী বর্মণ ঝিনাইগাতীর একটি বেসরকারি স্কুলের শিক্ষক। ইদানীং সে (অরবিন্দু) লেখাপড়ায় অমনোযোগী হয়ে পড়েছিল এবং কলেজের পরীড়্গায় ভাল ফলাফল করতে পারছিল না। বিষয়টি নিয়ে দুঃশ্চিনত্মাগ্রসত্ম বাবা-মা গত ১৬ অক্টোবর শুক্রবার তাঁদের ছেলে অরবিন্দুকে মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া করার জন্য শাসন করেন। এতে অভিমান করে সে (অরবিন্দু) বাড়ি ছেড়ে চলে যায়। এরপর গত শুক্রবার রাতভর অনেক খোঁজাখুঁজি করেও আত্মীয়-স্বজন তার সন্ধান পাননি।
এমন অবস’ায় আজ শনিবার দুপুরে অরবিন্দুর বন্ধুদের নিকট থেকে বাবা রত্নেশ্বর বর্মণ সংবাদ পান যে, তাঁর ছেলে অরবিন্দু বিষপান করে গারো পাহাড়ের গজনী অবকাশ কেন্দ্রে পড়ে আছে। সংবাদ পেয়ে রত্নেশ্বর অন্য আত্মীয়দের নিয়ে গজনী অবকাশ কেন্দ্রে গিয়ে আশংকাজনক অবস’ায় অরবিন্দুকে উদ্ধার করে ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস’্য কমপেস্নক্সে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে (অরবিন্দু) মৃত ঘোষণা করেন।
ঝিনাইগাতী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) খোকন চন্দ্র সরকার আজ শনিবার বিকেলে বলেন, এ ঘটনায় মৃত অরবিন্দুর বাবা রত্নেশ্বর বাদী হয়ে ঝিনাইগাতী থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করেছেন। সুরতহাল প্রতিবেদনে অরবিন্দুর মুখে বিষের ফেনা দেখা গেছে। তবে কোন আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়নি। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ে ময়নাতদনেত্মর জন্য অরবিন্দুর লাশ শেরপুর জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি তদনত্ম করে দেখছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৬:৫২ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ১৭, ২০১৫