| বিকাল ৪:৫২ - সোমবার - ২২শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ - ৭ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ - ১৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

স্যার ফজলে হাসান আবেদের বিশ্ব খাদ্য পুরস্কার গ্রহণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: | ১৬ অক্টোবর ২০১৫, শুক্রবার,,

খাদ্য ও কৃষিক্ষেত্রের নোবেল প্রাইজ বলে খ্যাত বিশ্ব খাদ্য পুরস্কার গ্রহণ করেছেন ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারপারসন স্যার ফজলে হাসান আবেদ।
আজ শুক্রবার বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ছয়টায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়ায় তার হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন ওয়ার্ল্ড ফুড প্রাইজ চেয়ারম্যান তৃতীয় জন রুয়ান।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষিমন্ত্রী টম ভিলসেক, আইওয়া সিনেটের প্রেসিডেন্ট প্যাম ইয়োকোম, আইওয়া হাউসের স্পিকার লিন্ডা আপমায়ার, ওয়ার্ল্ড ফুড প্রাইজ প্রেসিডেন্ট অ্যাম্বাসেডর কেনেথ কুইন, মালাওয়ি প্রজাতন্ত্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও জয়েস বান্ডা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মিসেস জয়েস বান্ডা প্রমুখ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সভাপতি ছিলেন আইওয়ার গভর্নর টেরি ব্র্যানস্টাড।
আজ ব্র্যাকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রতি বছর বিশ্ব খাদ্য দিবস উপলক্ষে ওয়ার্ল্ড ফুড প্রাইজ ফাউন্ডেশন এই পুরস্কার দিয়ে থাকে। ক্ষুধাপীড়িত জনগোষ্ঠীর জন্য খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও বণ্টনে অনন্য অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৫ সালের জন্য স্যার ফজলেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। এর আর্থিক মূল্য হচ্ছে আড়াই লাখ মার্কিন ডলার।
পুরস্কার পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় স্যার ফজলে হাসান আবেদন বলেন, ‘ওয়ার্ল্ড ফুড প্রাইজ প্রাপ্তি আমার জন্য এক পরম সম্মান বয়ে এনেছে। এই পুরস্কার শুধু আমার একার না, এই সাফল্যগাঁথার পেছনে প্রকৃত নায়ক দরিদ্ররাই, বিশেষত দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে সংগ্রামরত নারীরা। দরিদ্র পরিবারে সাধারণত নারীরাই অপ্রতুল সম্পদ দিয়ে সংসার পরিচালনা করেন। এ থেকেই ব্র্যাক উপলব্ধি করে যে, উন্নয়ন প্রচেষ্টায় নারীদেরকেই পরিবর্তনের চালিকাশক্তি করতে হবে।’
গত ১ জুলাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরস্কার ঘোষণা করে। স্যার আবেদের নাম ঘোষণার সময় ওয়ার্ল্ড ফুড প্রাইজ ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট কেনেথ কুইন বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী জনসংখ্যা যখন নয়শ কোটি ছাড়িয়ে যাবে, তখন ক্ষুধাপীড়িত মানুষের মুখে খাবার তুলে দেয়া হবে একটি বিরাট চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জকে সামনে রেখেই স্যার ফজলে ও তার প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক নারীশিক্ষা বিস্তার, ক্ষমতায়ন এবং পুরো প্রজন্মকে দারিদ্র্যমুক্ত করার একটি অসাধারণ মডেল উদ্ভাবন করেছেন। এই অনন্য কীর্তির জন্য এ বছর তিনিই এই পুরস্কারের যোগ্য ব্যক্তি। আবেদ ২০০৯ সালে ব্রিটিশ রাজপরিবার তাকে নাইট উপাধি দেয়। (বাসস)

সর্বশেষ আপডেটঃ ৭:০১ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ১৬, ২০১৫