| রাত ১২:২৫ - রবিবার - ২১শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ - ৬ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ - ১৪ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

শরীয়তপুর থাকবেই ফরিদপুর বিভাগ ও সিটি কর্পোরেশন শিগগিরই

অনলাইন ডেস্ক : ১৫ অক্টোবর ২০১৫, বৃহস্পতিবার,

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন এমপি বলেছেন, প্রস্তাবিত ফরিদপুর বিভাগে শরীয়তপুর জেলা থাকবেই। এ জেলার অন্য কোনো বিভাগে কিংবা আগের ঢাকা বিভাগে থাকার সুযোগ নেই। এ বিভাগের সদর দফতর হবে ফরিদপুর। গোপালগঞ্জ জেলাও ফরিদপুর বিভাগের অধীনে একটি জেলা হিসাবে থাকবে।
কিছুদিনের মধ্যে ফরিদপুর বিভাগ এবং ফরিদপুর সিটি কর্পোরেশন ঘোষণা করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।
ফরিদপুর শহর ও কোতোয়ালি থানা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
শহরের অম্বিকা ময়দানে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন শরীয়তপুর ও গোপালগঞ্জের একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা।
প্রস্তাবিত ফরিদপুর বিভাগে শরীয়তপুর জেলাকে না রাখতে শরীয়তপুরে আন্দোলন চলছে এবং ফরিদপুর বিভাগের সদর দফতর গোপালগঞ্জ হবে বলে প্রচারণা চলছে।
খন্দকার মোশাররফ বলেন, বঙ্গবন্ধুর নাম যাদের অন্তরে রয়েছে তারা সবাই আওয়ামী লীগার। দল থেকে বা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বিচ্যুত হলে জনপ্রিয়তা ধরে রাখা যায় না। যতো বড় নেতাই হোক দল ছাড়া জনপ্রিয় থাকা যায় না।
তিনি আরো বলেন, সামনের একনেকের বৈঠকে ফরিদপুরের কুমার নদী পুর্নখননের জন্য ১৮৫ কোটি টাকার প্রস্তাব অনুমোদন করা হবে। কুমার নদী যৌবন ফিরে পেলে জেলায় ফসল ও মাছের উৎপাদন বাড়বে।
সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহম্মদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শেখ মো: আব্দুল্লাহ. শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এনামুল হক শামীম, ফরিদপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহতেসাম হোসেন বাবর ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ঝর্না হাসান।
সম্মেলনের কাউন্সিল অধিবেশনে মিলিতভাবে দুই শাখার ৮ হাজার ডেলিগেট ও ৩৯৬ জন কাউন্সিলর অংশ নেন। এতে সাংগঠনিক প্রতিবেদন পেশ করেন নজরুল ইসলাম মৃধা ও অমিতাভ বোস।
দুপুরের বিরতির পর দ্বিতীয় অধিবেশনে নেতা নির্বাচনের জন্য দুই কমিটির কাউন্সিলররা আলাদা আলাদাভাবে সভায় মিলিত হয়েছেন। এ সভায় গণতান্ত্রিক উপায়ে নেতা নির্বাচন করবেন তারা।
১১ বছর আগে ২০০৪ সালের ১২ মার্চ কমিটি দু’টির সর্বশেষ সম্মেলন একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হয় শহরের কবি জসীমউদদীন হলে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৬:৪৮ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ১৫, ২০১৫