| সকাল ৮:০৫ - বৃহস্পতিবার - ১১ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ - ২৭শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ - ১২ই মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি

ফলোআপ নিকলীতে কাজীর বিরুদ্ধে বাল্য বিয়ের অভিযোগ,তদন্ত শুরু

খাইরুল মোমেন স্বপন, নিকলী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

দৈনিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী-বাজিতপুর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. আফজাল হোসেনের নির্দেশনাক্রমে কাজী মো.ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে বাল্য বায়ে নিবন্ধনসহ অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ তদন্ত করেছেন নিকলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম। বুধবার দুপূর হতে বিকাল পর্যন্ত জারইতলা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এই তদন- কার্যক্রম চলে। অভিযুক্ত মোঃ ইদ্রিস আলী উপজেলার জারইতলা ইউনিয়নের বিবাহ রেজিষ্ট্রার ও কাজীর দায়িত্বে নিয়োজিত। ইতিমধ্যে সে বাল্য বিয়ে নিবন্ধন ও অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগে ভ্রাম্যমান আদালতে একাধিকবার দন্ডিত হয়েছেন বলে জানা যায়। গত ১০ আগষ্ট উপজেলার জারইতলা ইউনিয়নের সাজনপুর গ্রামের রুছতম আলীর পুত্র ও জারইতলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্র আফজল হোসেনের (১৫) সাথে একই ইউনিয়নের দক্ষিন জাল্লাবাদ গ্রামের মৃত ইসলাম উদ্দিনের কন্যা পাপিয়ার (১৪) বিয়ে নিবন্ধন করেন কাজী মোঃ ইদ্রিস আলী। গত ১২ সেপ্টেম্বর মানবজমিনের ১৯ পৃষ্টার ১ম কলামে “টাকা পেলেই…….” শিরোনামে এ সংক্রান্ত একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সাংসদ আলহাজ্ব মোঃ আফজাল হোসেনের দৃষ্টিগোচর হয়। তিনি কাজীর বিরুদ্ধে ব্যবস’া নিতে নিকলী উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তা ও ১ম শ্রেণির হাকিম মোহাম্মদ মাহবুব আলমকে তাৎক্ষনিক নির্দেশ দেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহবুব আলম উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলামকে তদনে-র দায়িত্ব প্রদান করেন। তদন্ত কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, “কাজীর বিরুদ্ধে আনিত ৩টি অভিযোগের ২টির তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। আফজল-পাপিয়ার বিয়ের বিষয়টির জন্য কাজী ইদ্রিস আলী ১দিনের সময় নিয়েছেন। ”
উল্লেখ্য যে, এর আগেও কাজী মোঃ ইদ্রিস আলী একই অপরাধে দু’বার ভ্রাম্যমান আদালতে দন্ডিত হয়েছেন বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৬:৩২ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ১৫, ২০১৫