| সকাল ৮:৫৪ - সোমবার - ১৫ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ - ৩১শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ - ১৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি

শেরপুরে পুরোহিত সম্পর্কে ব্রহ্মচারীর কটূক্তি: সাময়িকভাবে ব্রহ্মচারী শান্তানন্দের শেরপুর ত্যাগে সম্মতি পুরোহিতদের দুর্গা পূজা বর্জন স্থগিত

শেরপুর প্রতিনিধি,৩ অক্টোবর ২০১৫, শনিবারঃ  শেরপুরে শিবশক্তি মিশনের ব্রহ্মচারী শান্তানন্দ দুর্গা পূজার আগে সাময়িকভাবে শেরপুর ত্যাগ করবেন- এমন সম্মতি ও প্রশাসনের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে জেলা পুরোহিত কল্যাণ পরিষদ দুর্গা পূজা বর্জনের সিদ্ধান্ত স্থগিত  করেছেন। সংগঠনের সভাপতি বিজয় কৃষ্ণ চক্রবর্তী আজ ৩ অক্টোবর শনিবার বিকেলে তাঁদের এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। পরিষদ তাঁদের কর্মসূচী স’গিত করায় শেরপুরের সনাতন ধর্মবলম্বীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার গভীর রাত পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের বাসভবনে প্রশাসন, পূজা উদযাপন পরিষদ ও ব্রহ্মচারী শান্তানন্দের উপস্থিতিতে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় উদ্ভূত পরিস্থিতি সমাধানকল্পে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পরে ব্রহ্মচারী শান্তানন্দ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গা পূজা উৎসব শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠানের স্বার্থে পূজার আগে সাময়িকভাবে শেরপুর ত্যাগ করতে সম্মত হন।
জেলা প্রশাসক এ এম পারভেজ রহিম আজ শনিবার বিকেলে ব্রহ্মচারী শান্তানন্দের এ সম্মতির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
বৈঠকে জেলা প্রশাসক এ এম পারভেজ রহিম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অঞ্জন চন্দ্র পাল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আব্দুল ওয়ারীশ, সরকারি কৌসুলি (পিপি) চন্দন কুমার পাল, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দেবাশীষ ভট্টাচার্যসহ পুরোহিত কল্যাণ পরিষদের নেতৃবৃন্দ উপসি’ত ছিলেন।
প্রসঙ্গত. শিবশক্তি মিশনের ব্রহ্মচারী শান্তানন্দের বিরুদ্ধে ফেসবুকে সনাতন ধর্মাবলম্বী ব্রাহ্মণ সমাজ ও পুরোহিত সম্পর্কে কটূক্তির অভিযোগ ওঠে। এর প্রতিবাদে গত ১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার রাতে পুরোহিত কল্যাণ পরিষদ ৭২ ঘন্টার মধ্যে শান্তানন্দকে শেরপুর থেকে বিতাড়ণ করার জন্য প্রশাসনের নিকট দাবি জানান। অন্যথায় পুরোহিতগণ আসন্ন শারদীয় দুর্গা পূজা বর্জনের হুমকি দিয়েছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৭:৩৬ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ০৩, ২০১৫