| দুপুর ১২:৪১ - শুক্রবার - ১২ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ - ২৮শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ - ১৩ই মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি

ছুরিসহ আটক ছাত্রী উত্যক্তকারীকে ধমক দিয়েই ছেড়ে দিল আওয়ামীলীগ নেতা !

খাইরুল মোমেন স্বপন, নিকলী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ  ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৫, শনিবার,

কিশোরগঞ্জের নিকলীতে শনিবার সকাল ১০ টায় ছুরি নিয়ে মাদ্রাসায় ঢুকে দাখিল শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৫) উত্যক্তের ঘটনায় ছুরিসহ আটক উত্যক্তকারীকে সামান্য ধমক দিয়েই ছেড়ে দিয়েছে আওয়ামীলীগের এক প্রভাবশালী নেতা। উত্যক্তকারী সৌরভ (১৮) উপজেলা সদরের মোহরকোনা গ্রামের রুহুল মিয়ার পুত্র এবং কিশোরগঞ্জ এ.কে.এইচ মেডিকেল কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র। এলাকাবাসী ও ছাত্রীর অভিভাবক সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দামপাড়া ইউনিয়নের শেখেরহাটি গ্রামের ঐ ছাত্রীকে সৌরভ প্রেমের প্রস-াব দিয়ে একাধিকবার ব্যর্থ হয়। সৌরভের প্রস-াবে রাজি না হওয়ায় গতকাল শনিবার ঐ ছাত্রীকে মাদ্রাসায় আসার পথে ছুরি নিয়ে ধাওয়া করে। সৌরভের ভয়ে ঐ ছাত্রী দৌঁড়ে মাদ্রাসা ফটকে ঢুকে পড়লে সৌরভ ছুরি নিয়ে ছাত্রীর উপর চড়াও হয়। উপসি’ত ছাত্র-ছাত্রীরা সৌরভকে ছুরিসহ আটক করে। আটকের সময় ধস-াধসি-তে মাদ্রাসা সুপারের পুত্র মামুন (১৫) সহ কয়েকজন আহত হয়। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ছেলে মেয়ের অভিভাবক ও স’ানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের ঘটনা অবহিত করেন। ঘটনা মীমাংসার উদ্দেশ্যে মাদ্রাসা সভাকক্ষে এক শালিস বৈঠকের আয়োজন করা হয়। শালিস বৈঠকে উপসি’ত নিকলী সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ কফিল উদ্দিন ছাত্রীর অভিভাবকদের কাছে সৌরভ ও তার পিতাকে ক্ষমা প্রার্থনা করায়। সামান্য ধমক দিয়েই সৌরভকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে মোহরকোনা আশরাফিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মোঃ মাহবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ঘটনা মীমাংসা করে ফেলেছে বলে জানান। নিকলী থানার ইনচার্জ (ওসি) এ.কে.এম মাহবুব আলম ঘটনা শুনেননি এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহবুব আলম দূঃখ প্রকাশ করে উত্যক্তকারীকে এভাবে ছেড়ে দেয়া অন্যায় বলে লোক লোকান-কেকে জানান। নিকলী সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ কফিল উদ্দিনের মুঠো ফোনে ঘটনা জানতে চাইলে তার মুঠো ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৬:৩৭ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৫