| দুপুর ১:৫৬ - শুক্রবার - ১৯শে আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ - ৪ঠা ভাদ্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ - ২০শে মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি

যুদ্ধাপরাধী আমজাদ হাজীর দাফন সম্পন্ন

 

ফুলবাড়িয়া প্রতিনিধি ঃ ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫, শনিবার,

মানবতা বিরোধীর দায়ে অভিযুক্ত আসামী উপজেলার নাওগাও ইউনিয়নের পলাশীহাটার বাসিন্দা আমজাদ হাজীর দাফন শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় পলাশীহাটা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে সম্পন্ন হয়েছে। জানাজায় অন্যানদের মধ্যে কাকরাইল মারকাজ জামে মসজিদের শুরা সদস্য প্রফেসর ড. মো. সাইদুর রহমান, ড. মো. হাফিজ উদ্দিন।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৪ টার সময় ঢাকা মেডিকেল কলেজের সিসিসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার বিরুদ্ধে হত্যা লুষ্ঠনসহ ধর্ষনের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে ৭ টি মামলা ছিল। আন্তজার্তিক অপরাধ ট্রাইবুনাল গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর পর ১১ আগস্ট মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ আমজাদ হাজীসহ অপর এক রাজাকার রিয়াজ উদ্দিন ফকিরকে গ্রেফতার করে। ১২ আগস্ট ময়মনসিংহ থেকে আমজাদ হাজীসহ রিয়াজ উদ্দিন ফকিরকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তরের সময় গাজীপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় মারাত্নক আহত হন তিনি। দ্বিতীয় দফায় তার শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিসিইউতে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার ৪ সেপ্টেম্বর বিকালে আমজাদ হাজী মারা যান।
এ পর্যনত্ম আমজাদ আলীর নামে ৭ টি মামলা হয়েছে। তার মধ্যে একটি মামলার বাদী উপজেলার ভালুকজান গ্রামের খোরশেদ আলী। তার পিতা তালেব মন্ডলকে আখিলা নদীর ব্রিজের উপর দাড় করে গুলি করে হত্যার করে আলবদর বাহিনীর প্রধান আমজাদ হাজী।
এর আগে আলহাজ আমজাদ আলী এক সাড়্গাৎকারে বলেছিলেন, ১৯৭০ এর নির্বাচনে তিনি পাকিসত্মানের নেজামে ইসলাম পার্টি থেকে বই মার্কায় নির্বাচনে অংশ গ্রহন করে ছিলেন। সে সময় তার প্রতিদ্বন্ধি ছিল বর্তমান উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সংসদ সদস্য আলহাজ মোসলেম উদ্দিন। ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীনের পর আত্নরড়্গার জন্য তিনি তাবলীগ জামায়াতে চলে যান। টঙ্গীতে ইজতেমা চলাকালীন সময়ে টঙ্গী মসজিদে দেশ বিরোধী বক্তব্য দেয়ার অপরাধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন। সে সময় যুদ্ধাপরাধের মামলায় তিনি এক বছর জেল খেটেছেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাধারন ড়্গমা ঘোষনা করার পর তিনি জেল থেকে বেরিয়ে আসেন। বর্তমানে তিনি উপজেলা তাবলীগের আমির হিসাবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। জানা গেছে, তার বড় ছেলে পল্লীচিকিৎসক আকরাম হোসেনের কেশরগঞ্জ বাজারে ওষুধের ফার্মেসীর ব্যবসা করেন। ছোট ছেলে মুফতি আনোয়ার হোসেন চট্রগ্রামে ও পাকিস্তানে লেখাপড়া করে ঢাকার কলতাবাজার জামে মসজিদে ইমামতি করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৭:৪৭ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ০৫, ২০১৫