| সন্ধ্যা ৭:৫৩ - বৃহস্পতিবার - ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ - ১৪ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ - ২রা রবিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি

২শ’ ৬৬ বছরের শোলাকিয়া ঈদগাহ

লোকলোকান্তর স্পেশাল,সিম্মী আহাম্মেদ, কিশোরগঞ্জ ,১২ জুলাই ২০১৫, রবিবার:      ১৭৫০ সাল থেকে শোলাকিয়া মাঠে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। সে হিসাব অনুসারে শোলাকিয়া ঈদগাহের বয়স ২শ’ ৬৬ বছর। প্রতিষ্ঠার ৭৮ বছর পর ১৮২৮ সালে প্রথম বড় জামাতে এই মাঠে একসঙ্গে ১ লাখ ২৫ হাজার অর্থাৎ সোয়ালাখ মুসলিস্ন ঈদের নামাজ আদায় করেন। এই সোয়ালাখ থেকে এ মাঠের নাম হয় ‘সোয়ালাখিয়া’, যা উ”চারণ বিবর্তনে হয়েছে শোলাকিয়া। স’ানীয় হয়বতনগর সাহেব বাড়ির উর্দ্ধতন পুরম্নষ শাহ সুফি সৈয়দ আহমদ (র:) সে জামাতে ইমামতি করেন। কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের পূর্বপ্রানেত্ম নরসুন্দা নদীর তীর ঘেঁষে অবসি’ত প্রাচীন এবং ঐতিহ্যবাহী এ শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয় দেশের বৃহত্তম ঈদ-উল-ফিতরের জামাত। বৃহত্তম জামাতের হিসাব অনুযায়ি এ বছর এ ঈদগাহ মাঠে ১৮৮তম ঈদজামাত অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলার বারো ভূঁইয়ার অন্যতম ঈশাখাঁ’র ৬ষ্ঠ বংশধর হয়বতনগরের জমিদার দেওয়ান মান্নান দাঁদ খান তার মায়ের অসিয়াত মোতাবেক ১৯৫০ সালে শোলাকিয়া ঈদগাহের জন্য ৪.৩৫ একর জমি ওয়াক্‌ফ করেন। সেই ওয়াক্‌ফ দলিলে উলেস্নখ রয়েছে, ১৭৫০ সাল থেকে এ মাঠে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। কিশোরগঞ্জ মৌজার এ মাঠের মূল আয়তন বর্তমানে ৬.৬১ একর। প্রাচীর ঘেরা শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে মোট ২৬৫টি কাতার রয়েছে যেখানে একসঙ্গে দেড় লড়্গাধিক মুসলিস্ন নামাজ আদায় করেন। এছাড়া মাঠে স’ান সংকুলান না হওয়ায় ঈদগাহ সংলগ্ন খালি জায়গা, রাসত্মা এবং নিকটবর্তী এলাকায় দাঁড়িয়ে সমসংখ্যক মুসলিস্ন এ বৃহত্তম ঈদজামাতে শরিক হন।Untitled-1

এ সংক্রানত্ম নানা তথ্য পর্যালোচনা করে জানা গেছে, শাহ সুফি সৈয়দ আহমদ (র.) এর পূর্বপূরম্নষগণ সুদূর মক্কা শরিফ থেকে ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে ভারতীয় উপমহাদেশে আগমন করে বর্তমান ভারতের বর্ধমান জেলার টেংগাপাড়ায় বসবাস শুরম্ন করেন। সৈয়দ আহমদ (র.) এর পিতা সৈয়দ ইবরাহিম (র.) উত্তর কুমিলস্না ও ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে ইসলামী শিড়্গা প্রচার-প্রসার ও দাওয়াতের কাজ করতে গিয়ে কিশোরগঞ্জ শহর থেকে সাত মাইল দূরবর্তী কান্দাইল গ্রামে পদার্পন করেন। পরবর্তিতে সেখানে স’ানীয় এক সম্ভ্রানত্ম মুসলিম পরিবারে বিবাহ করে স’ায়ীভাবে বসবাস করতে থাকেন। কিন’ সাংসারিক জীবনকে তিনি আবদ্ধজীবন মনে করে আলস্নাহর বাণী প্রচারের তাগিদে বেরিয়ে পড়েন। একপর্যায়ে হজ্জব্রত পালনের উদ্দেশ্যে তাবলীগ জামাতসহ মক্কা শরিফে চলে যান এবং সেখানেই ইনেত্মকাল করেন। এদিকে মরহুম সৈয়দ ইবরাহিম (র.) এর বাড়িতে রেখে যাওয়া গর্ভবতী স্ত্রীর এক পুত্র সনত্মান ভূমিষ্ঠ হয়। স্বামীর পূর্ব নির্দেশ মোতাবেক পুত্রের নামকরণ ও পরবর্তী সময়ে বয়ঃপ্রাপ্ত হলে ১২ বছর বয়সে শিড়্গা-দীড়্গা লাভের উদ্দেশ্যে ঢাকার আজিমপুর দায়রা শরিফে প্রেরণ করা হয়। বালকপুত্র সৈয়দ আহমদ সেখানে ২৪ বছর অবস’ান করে শিড়্গা-দীড়্গায় পরিপক্ক জ্ঞান লাভের পর পীরের নির্দেশে কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় চলে আসেন। সেখানে শহীদ ময়েজ উদ্দিন মজনু (র.) এর মাজারের পাশে একটি ঘর তৈরি করে ইবাদত-বন্দেগীসহ ইসলামের বাণী প্রচারে মনোনিবেশ করেন। ক্রমে সৈয়দ আহমদ (র.)-এর সুনাম ও সুখ্যাতি চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লে দলে দলে লোকজন তার কাছে এসে দ্বীনি শিড়্গা গ্রহণ করতে থাকে। এ সময় ঈশা খাঁ’র বংশধরগণ জঙ্গলবাড়ি ও হয়বতনগর এলাকার জমিদারদ্বয় সৈয়দ আহমদ (র.) কে শ্রদ্ধার আসনে স’ান দেন এবং তার সামগ্রিক দ্বীনি দাওয়াতী কাজের সহযোগিতা করেন। এ সময় সে এলাকায় কোন মসজিদ না থাকায় ১৮২৭ সালে সৈয়দ আহমদ (র.) বাড়ি সংলগ্ন জায়গায় একটি মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেন। মসজিদ প্রতিষ্ঠার পর পরই তিনি ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য ঈদগাহ স’াপনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন। তিনি তার ক্রয়কৃত তালুক সম্পত্তিতে ঈদগাহ মাঠ প্রতিষ্ঠা করার মনসি’র করেন এবং এ ব্যাপারে জঙ্গলবাড়ি ও হয়বতনগরের জমিদারদ্বয়কে সহায়তা করার অনুরোধ জানিয়ে আসন্ন ঈদুল ফিতরের প্রথম জামাতে শরীক হওয়ার দাওয়াত করেন। জমিদারদ্বয় দাওয়াত কবুল করেন এবং এই অঞ্চলের আপামর জনসাধারণের অংশগ্রহণে শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে ১৮২৮ সালের ঈদ-উল-ফিতরের ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। শাহ সুফি সৈয়দ আহমদ (র.)-এর ইমামতিতে অনুষ্ঠিত হয় ঈদের প্রথম জামাত।
বৃহত্তম জামাতের হিসাব অনুযায়ি, এ বছর এ ঈদগাহ মাঠে ১৮৮তম ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ১০টায় শুরম্ন হবে জামাত। এতে ইমামতি করবেন ইসলাহুল মুসলিহীন পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসউদ। ঐতিহ্যবাহী এ মাঠে খ্যতিসম্পন্ন আলেমগণ ইমামতি করেছেন। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রথম বড় জামাতের পর আরো যাঁরা ইমামতি করেছেন, তাঁরা হলেন- হযরত মাওলানা হাফেজ মুহম্মদ হযরত উলস্নাহ, হযরত মাওলানা পেশওয়ারী, হযরত মাওলানা মুসলেহ উদ্দিন, আলহাজ্ব মাওলানা হামিদুল হক, হযরত মাওলানা মাজহারম্নল হক, হযরত মাওলানা আবদুল গনি, হযরত মাওলানা আতহার আলী, হযরত মাওলানা আবদুল মান্নান, হযরত মাওলানা আবুল খায়ের মুহাম্মদ নূরম্নলস্নাহ ও মাওলানা আবুল খায়ের মুহাম্মদ সাইফুলস্নাহ। গত চার বছর যাবত আলস্নামা ফরিদ উদ্দিন মাসউদ ইমামতি করছেন।
স’ানীয় মুসলিম সমপ্রদায়ের মধ্যে একটি বিশ্বাস রয়েছে যে, এ মাঠে পর পর ৭টি ঈদে নামাজ আদায় করতে পারলে একবার হজ্বব্রত পালনের সওয়াব পাওয়া যায়। সে জন্য শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান ‘গরীবের মক্কা’ নামেও বিশেষ পরিচিত। সে বিশ্বাস থেকে এবং বৃহৎ ঈদ জামাতে নামাজ আদায় করার মানসে প্রতি বছর বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমানের পাশাপাশি ভিনদেশী মুসলিস্নরাও এ ঈদগাহ ময়দানে ঈদ-উল-ফিতরের নামাজ আদায় করেন। প্রতি বছরই এই সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পা”েছ।
শোলাকিয়া মাঠে জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ১০টায়। কিন’ ভোর থেকেই মুসলিস্নদের ঢল নামে শোলাকিয়া অভিমুখে। সকাল ৯টার মধ্যেই মাঠের অধিকাংশ এলাকা পরিপূর্ণ হয়ে যায়। এছাড়া শোলাকিয়া ঈদগাহে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের জামাতে নামাজ আদায়ের জন্য দেশের দূর-দূরানেত্মর মুসলিস্নগণ ঈদের ২/৩ দিন আগে থেকেই ঈদগাহের মিম্বর, আত্মীয়-স্বজনের বাড়ি, বিভিন্ন মসজিদ ও আবাসিক হোটেলগুলোতে এসে ওঠতে থাকেন। অনেক মুসলিস্ন ঈদের দিন ভোরবেলায় ট্রেন, বাসসহ বিভিন্ন যানবাহনে করে ঈদগাহে আসেন। দূর-দূরানত্ম থেকে আসা মুসলিস্নদের সুবিধার্থে বাংলাদেশ রেলওয়ে ‘শোলাকিয়া এক্সপ্রেস’ নামে ২টি বিশেষ ট্রেনের ব্যবস’া করে।
এখানকার ঈদজামাতে এ ধরনের অসংখ্য লোকের খোঁজ পাওয়া যায়, যারা দীর্ঘদিন যাবৎ এখানে নিয়মিত নামাজ পড়তে আসেন। সাধারণ মানুষ ছাড়াও প্রতিবারই এ জামাতে বিপুল সংখ্যক ভিআইপি উপসি’ত থাকেন। বৃহৎ এ মাঠে তিন লক্ষাধিক লোক একসাথে সেজদায় গেলে এক অভুতপূর্ব দৃশ্যের সৃষ্টি হয়। এ দৃশ্য দেখার জন্য স’ানীয়দের অনেকেই সকাল সকাল নামাজ সেরে নেন শহরের পুরানথানা এলাকার শহীদী মসজিদে। তারপর এসে জড়ো হন মাঠের চারদিকে। আশপাশের বাড়ির ছাদে অবস’ান নেন হাজার হাজার নারী-শিশু ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বি জনতা। এ মাঠের রেওয়াজ অনুযায়ী, জামাত শুরম্নর ৫মিনিট আগে ৩টি, ৩ মিনিট আগে ২টি এবং ১ মিনিট আগে ১টি শর্টগানের গুলি ছোঁড়া হয়। নামায শেষে দেশ-জাতি ও মুসলিম উম্মাহর জন্য মঙ্গল কামনা করে মুনাজাত পরিচালিত হয়। লাখো লাখো আবাল-বৃদ্ধা-বনিতার আমীন, আমীন রবে মুখরিত হয় চারদিক।
শোলাকিয়ার ঈদজামাত উপলড়্গে প্রশাসনের পড়্গ থেকে নেওয়া হয় নজিরবিহীন নিরাপত্তামূলক ব্যবস’া। মাঠ ও এর আশপাশের এলাকায় থাকে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস’া। চাঁদরাত থেকেই মাঠের ভেতর অপ্রয়োজনে কাউকে প্রবেশ করতে দেয়া হয় না। মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে পুরো মাঠ ও আশপাশের এলাকা তলস্নাশি করা হয়। সিসিটিভি ও ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে সার্বড়্গণিক নিরাপত্তা ব্যবস’া পর্যবেড়্গণ করা হয়। নামাজ চলাকালে মেডিকেল টিম ও অগ্নিনির্বাপক দলকে সতর্কাবস’ায় রাখা হয়। এছাড়া স্কাউটদের একটি দল মুসল্লিদের শৃংখলা বজায় রাখার কাজে নিয়োজিত থাকে। দেশের বৃহত্তম এ ঈদজামাত উপলক্ষে কিশোরগঞ্জ শহরে ঈদ মেলা বসে। মাঠ পার্শ্ববর্তী এলাকায় হসত্ম, কারম্ন, ও নানারকম শিল্পের মেলা আগত মুসলিস্নদের জন্য এক অন্যতম আকর্ষণের বিষয়। স’ানে স’ানে নির্মিত হয় তোরণ, রাসত্মার দু’পাশে টানানো হয় রং-বেরংয়ের পতাকা ও ব্যানার। জামাতের আগে-পরে শহর হয়ে ওঠে লোকে-লোকারণ্য ও উৎসবমুখর। দূর-দূরানত্ম থেকে আসা মুসলিস্নদের তৃষ্ণা লাঘব করতে দলমত নির্বিশেষে স’ানীয় স্বে”ছাসেবী এবং এলাকাবাসী মুসলিস্নদের মাঝে বিশুদ্ধ খাবার পানি, বাতাসা, মিষ্টান্ন প্রভৃতি বিতরণ করেন।
২০০৬ সালে প্রথম বারের মতো স্যাটেলাইট চ্যানেল এনটিভি দেশের সর্ববৃহৎ এই ঈদ জামাত সরাসরি সমপ্রচারের ব্যবস’া করে। ২০০৭ সাল থেকে চ্যানেল আই নিয়মিত ঈদ জামাত সরাসরি সমপ্রচার করছে। এবছরও চ্যানেল আই সরাসরি সমপ্রচার করবে। এছাড়া অন্যান্য প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াগুলো গুরম্নত্বের সঙ্গে এ ঈদজামাতের নিউজ কাভার করে থাকে। ফলে শোলাকিয়ার পরিচিতি ও সুনাম দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে পড়েছে।
মুসলিম ঐতিহ্যের ধারক এ ঈদগাহে শত ব্যসত্মতা, নানা সমস্যা আর প্রাকৃতিক বৈরিতাকে উপেড়্গা করে সমবেত হন ধর্মপ্রাণ মুসলিস্নগণ। এক কাতারে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করেন ধনী-গরীব নির্বিশেষে। সবার উদ্দেশ্য একটাই- যেন কোন অবস’াতেই হাত ছাড়া হয়ে না যায় জামাতে অংশ গ্রহণ, আলস্নাহর সান্নিধ্য লাভের সুযোগ। ধনী-গরীবের ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে সাম্য ও সুন্দরের ভিত্তিতে এক নতুন সমাজ গড়ার এই শিক্ষা নিয়েই জামাত শেষে বাড়ির পথে শোলকিয়া ছাড়েন তারা।
কিশোরগঞ্জকে দেশে-বিদেশে পরিচিত করেছে শোলাকিয়া ঈদগাহ। কিন’ ২শ’ ৬৬ বছরের পুরাতন শোলাকিয়া ঈদগাহটি ঐতিহ্যের তুলনায় উন্নয়ন ও সংস্কারের ড়্গেত্রে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে ঈদগাহ পরিচালনা কমিটি থাকলেও এর কার্যক্রম কেবল ঈদকেন্দ্রীক হওয়ায় সারা বছর রড়্গণাবেড়্গণের ড়্গেত্রে কোন তৎপরতা পরিলড়্গিত হয় না। ঈদগাহের সম্মুখস’ পৌরসভার নিয়ন্ত্রণাধীন গরম্নর হাটটি মাঠের অনুকূলে ব্যবহার ও বরাদ্দের দাবি দীর্ঘদিনেও পূরণ হয়নি। এছাড়া মাঠের আধুনিকায়ন ও সমপ্রসারণে কোন ধরণের কার্যকর পদড়্গেপ গ্রহণ না করায় দূর-দূরানত্ম থেকে আগত মুসলিস্নদের কাঙ্ক্ষিত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা অনেক ড়্গেত্রেই সম্ভব হ”েছ না। এ মাঠের সুনাম এবং গুর”ত্বকে আরো অর্থবহ ও ঐতিহ্যমন্ডিত করার স্বার্থেই এখানকার সার্বিক ব্যবস’াপনা আরো গতিশীল ও কার্যকর হওয়া দরকার বলে মনে করেন স’ানীয়রা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৯:১৮ অপরাহ্ণ | জুলাই ১২, ২০১৫