| সকাল ১০:৪০ - বুধবার - ১০ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ - ২৬শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ - ১১ই মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি

অবশেষে নিকলীতে অজ্ঞাত লাশটি সনাক্ত

নিকলী প্রতিনিধিঃ অবশেষে কিশোরগঞ্জের নিকলীতে পাওয়া অর্ধ গলিত লাশের পরিচয় মিলেছে। গতকাল সোমবার দূপুরে নিকলী থানায় সংরক্ষিত আলামত ও ছবি দেখে মা স্বরুপা খাতুন লাশটি তার ছেলে হেলাল (১৫) এর বলে সনাক্ত করেছেন। মৃত হেলাল উপজেলার দামপাড়া ইউনিয়নের পূর্বহাটি গ্রামের পক্ষাঘাতগ্রস- জালাল উদ্দিনের মধ্যম পূত্র বলে নিহতের মায়ের দাবী। গত ২২ এপ্রিল লাশটি উপজেলার দামপাড়া ইউনিয়নে অবসি’ত এলএসডি গোডাউনের পেছনের চারদিক জাল ঘেরা একটি ফিসারী থেকে অর্ধ গলিত অবস্থায় উদ্ধার করে বেওয়ারিশ লাশ হিসাবে মর্গে প্রেরণ করে। এ ঘটনায় দামপাড়া ইউনয়নের গ্রাম পুলিশ আমিন মিয়া (৫০) বাদী হয়ে একই দিন একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, দিন মজুর পিতা জালাল উদ্দিন পক্ষাঘাতগ্রস- হওয়ায় মা স্বরুপা খাতুন মেঝ ছেলে হেলালকে গত চৈত্র মাসে একই এলাকার হাসঁ-মুরগীর খামারী ও পাইকারী বিক্রেতা ইস্রাইল মিয়ার খামারে মুনি ( খাদ্য বস্ত্র ও বাসস’ানসহ শ্রমিক) দেন। জীবিকার সন্ধানে স্বামী-স্ত্রী চলে যায় চট্রগ্রাম। পরিচিতদের মোবাইল ফোনে খোজঁ-খবর চলতো হেলাল ও তার বাবা-মার। গত ১৭ জুন থেকে হেলালের কোন খোঁজ খবর পাওয়া যাচ্ছিলোনা। ব্যবসায়িক কাজে হেলালের মাহাজন ইস্রাইলও তখন এলাকার বাইরে। মাহাজনের কাজে হেলালকেও কোথাও পাঠানো হয়ে থাকতে পারে এমন ধারণাও অনেকটা আশ্বস- রেখেছিলো তাদের। অবশেষে বাড়ির কাছাকাছি অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ পাওয়ার বিষয়টি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে জানতে পেরে গতকালই বাড়ি আসেন স্বরুপা খাতুন ও তার স্বামী জালাল। হেলালের মাহাজন ইস্রাইল মিয়া জানান, আমি দের মাস যাবৎ ব্যবসার কাজে ফেনীতে ছিলাম। খবর পেয়ে এসেছি। তবে ৩ মাস পূর্বে হেলাল তার মোকাম থেকে চলে গিয়েছিলো বলে মানবজমিনকে জানান। কিন’ হেরালের পিতামাতা ও ভাইয়েরা জানালেন ভিন্ন কথা। মাহাজন বাড়ি থেকে হেলালের চলে যাবার ব্যপারে ইস্রাইল কখনোই তাদের অবহিত করেনি। হেলাল মৃত্যুর আগ পর্যন- ইস্রাইলের মোকামেই কর্মরত ছিলো বলে হেলালের পরিবার দাবী করেন। এ রিপোর্ট লিখা পর্যন- মামলা পরিবারের পক্ষ থেকে কোন মামলা হয়নি বলে থানা সূত্র জানায়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০:৩৪ অপরাহ্ণ | জুন ২৯, ২০১৫