| বিকাল ৪:১৬ - শনিবার - ১৩ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ - ২৯শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ - ১৪ই মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি

স্ত্রী ও শিশু পুত্র হত্যার ঘাতক রাসলের ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে জনতা

অনলাইন ডেস্ক, ২১ জুন ২০১৫, রবিবার,

ফরিদগঞ্জে স্ত্রী ও শিশু পুত্রকে হত্যার ঘটনায় ঘাতক স্বামী রাসেলের বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে বিক্ষুব্ধ জনতার হামলায় তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। আজ দুপুরে উপজেলার আদশা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার ৬নং গুপ্টি ইউনিয়নের আদশা গ্রামের হাজী বাড়ির সিরাজুল ইসলামের ছেলে রাসেল। পাশ্ববর্তী রামগঞ্জ উপজেলার রাঘরপুর গ্রামের আবদুল গফুরের মেয়ে ফাতেমার সঙ্গে দুই বছর আগে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়। ফাতেমার ভাই মনির হোসেন জানান, বেশ কয়দিন থেকে ফাতেমা তাদের বাড়িতেই ছিল। তার স্বামী রাসেল ছিলো ঢাকায়। শনিবার রাসেল বাড়ি আসছে। ফাতেমাকে ফোনে এমন খবর দিয়ে বাড়ি যেতে বলে। স্বামীর কথা মত দশ মাস বয়সী শিশু ফুয়াদকে নিয়ে রাসেলের বাড়ি যায় ফাতেমা। আজ সকালে তারা জানতে পারে ফাতেমা ও তার ছেলের লাশ বাড়ির পাশ্ববর্তী ডোবায় পড়ে আছে। খবর পেয়ে ফাতেমার বাবা আব্দুল গফুর ও তার স্বজনরা রাসেলের বাড়ি যায়। তারা ফাতেমা ও শিশু ফুয়াদ এর লাশ ডোবায় ভাসতে দেখে। এতে তারা বিক্ষুদ্ধ হয়ে রাসেলের বাড়িতে হামলা চালায় ও আসবাবপত্রে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে বিক্ষুব্ধ লোকজন পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ফরিদগঞ্জ থানার ওসি নাজমুল হক জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা চলছে। এজন্য চাঁদপুর থেকে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এদিকে সকাল ৭টয় উপজেলার ১নং বালিথুবা পশ্চিম ইউয়িনের সেকদি গ্রামের শাহ্ আলমের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সকাল ৭টায় নিজ বাড়ির গাছের সঙ্গে তার লাশ ঝুলতে দেখে লোকজন চিৎকার দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশ উদ্ধার করে চাঁদপুর মর্গে পাঠায়। কিশোর শাহ্ আলম ঢাকায় একটি রেস্টুরেন্টে কর্মচারি হিসেবে কাজ করতো।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৯:৫২ অপরাহ্ণ | জুন ২১, ২০১৫