| রাত ১:৫০ - রবিবার - ২৭শে নভেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ - ১২ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ - ২রা জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি

নান্দাইল শেরপুরের মাটিকাটা সরঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাশ চলছে দপ্তরী দিয়ে

ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি ঃ২৩ মে ২০১৫, শনিবারঃ

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষার হাল করম্নন অবস্থায় বিরাজ করছে। শিক্ষক/শিক্ষিকা অপ্রতুল এবং তাদের গড় অনুপস্থিতি শিক্ষার হালকে করম্নণ অবস্থায় নিপতিত করেছে।  গত বুধবার(২০ মে) দুপুর ১.৩০ মিনিটে উপজেলার ১০ নং শেরপুর ইউনিয়নের মাটিকাটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বিদ্যালয়টিতে ২ জন শিক্ষিকা কর্মরত প্রধান শিক্ষিকা নাসরিন আক্তার অনুপস্থিত, সহকারী শিক্ষিকা সাফিয়া আক্তার নান্দাইল উপজেলা সদরে প্রশিক্ষনে, সদ্য যোগদানকৃত দপ্তরী জিয়াদুল ইসলাম তৃতীয় শ্রেণীর ক্লাশ নিচ্ছে। অন্যান্য ক্লাশের ছাত্র/ছাত্রীরা বারান্দায় খেলা করছে। এ সংবাদদাতা দপ্তরী কে শিক্ষিকাদের কথা জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, প্রধান শিড়্গিকা বাড়ীতে সহকারী শিক্ষিকা নান্দাইল উপজেলা সদরে প্রশিক্ষনে । সাংবাদিক যাওয়ার খবর এলাকায় প্রচার হলে মুরম্নব্বিরা বিদ্যালয়ে যান এবং করম্নন কাহিনী বলেন। বিদ্যালয়ের জমিদাতা মাটিকাটা গ্রামের আব্দুল গনি মন্ডল ডোনার বিলস্নাল হোসেন বলেন, বাপ দাদার সম্পদ বিদ্যালয়ের নামে লিখে দিয়েছিলাম ভেবে ছিলাম গ্রামের ছোট্র ছেলেমেয়েরা সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে সমাজের উন্নয়ন মূলক কাজে তাদের জ্ঞান বিকর্শিত করবে কিন্তবিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর হতে অদ্যাবধি প্রয়োজনীয় শিক্ষক অত্র বিদ্যালয়ে দেয়া হয়নি। ২ জন শিড়্গক দিয়ে বিদ্যালয়টি চালানো সম্ভব নয়। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোছলেম উদ্দিন মন্ডল একই অভিমত ব্যক্ত করে বলেন, বিদ্যালয়ে সভায় শিক্ষক দেয়ায় কথা লিখিত ভাবে জানানো হলেও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস কেন পদক্ষেপ নেয়নি।
বিদ্যালয় সংলগ্ন বাড়ী টাঙ্গাইল সাউথ ইস্ট ইউনিভাসিটির ছাত্র আবুল হাসান বলেন, গত ৩ মে/১৫ তারিখ থেকে আমি ছুটিতে বাড়ীতে অবস্থান করছি সে থেকেই মাত্র একজন শিড়্গিকাকে বিদ্যালয়ে আসতে দেখি । তিনি আরো বলেন, আমি আসা অবদি ২ জন শিড়্গিকা কোন দিন পাইনি। বিদ্যালয়ে অবস্থান করে প্রধান শিড়্গিকা নাসরিন আক্তারকে ২ জন ছাত্র পাঠিয়ে খবর দেয়ার প্রায় ৪৫ মিনিট পর তিনি বাড়ী থেকে বিদ্যালয়ে আসেন। তখন তাকে বেশ অসুস’ দেখাচ্ছিল। অসুস’ অবস্থায় ছুটি নিচ্ছেন না কেন জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন,ডেপুটেশানে শিক্ষক দেয়ার জন্য তিন মাস পূর্বে দরখাস্ত দিলেও এখন পযনর্ত্ম কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
বিদ্যালয়ের এ করম্নণদশার বিষয়টি নিয়ে শেরপুর ইউপিঃ চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন মিল্টন ভূইয়াকে মোবাইল ফোনে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন ব্যাপারটি নিয়ে আমি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে বেশ কয়েকবার বলেছি, তিনি এ ব্যাপারে অদ্যাবধি কোন পদক্ষেপ নেননি।এ ব্যাপারে নান্দাইল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আনার কলি নাজনীন কে তার মোবাইল ফোনে প্রশ্ন করলে তিনি জানান, ডেপুটেশনে শিক্ষক চাওয়ার ব্যাপারটি তার জানা নেই। তিনি ব্যাপারটি খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলে জানান। শিক্ষকবিহীন দপ্তরী ক্লাশ নিচেচ্ছ এ ব্যাপারে প্রশ্ন করলে তিনি জানান, এমন হওয়ার কথা নয়। দপ্তরী জিয়াদুল ইসলামকে ক্লাশ নেওয়ার ব্যাপারে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আপারা না থাকলে আমি ক্লাশ নেই। তার শিড়্গাগত য্যোগতা সম্পর্কে প্রশ্নে বলেন, অষ্টম শ্রেণী পাশ। এ যদি হয় প্রাথমিক শিড়্গার হাল তবে সরকার শিড়্গা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ রেখে স্বার্থকতা কোথায়?#

সর্বশেষ আপডেটঃ ৫:২৮ অপরাহ্ণ | মে ২৩, ২০১৫